টেকেরহাট-ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজে ধীরগতি

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

নানান জটিলতায় টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া ৪৪কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ চলে ঢিমেতালে।রাস্তাটি ভেঙ্গে ফেলে রাখায় সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃস্টি হয়েছে খানাখন্দে। ধুলাবালিতে অন্ধকার হয়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এ সড়কে চলাচলরতঃ যাত্রী সাধারণ।সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে স্থানীয় লোকজন বাধা সৃস্টি করায় ‍নির্মাণ কাজে দেরী হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে(আগামী বছরের জুন মাসের)নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক হওয়ার আগে গোপালগঞ্জের টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া সড়কটি ছিল যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের একমাত্র সড়ক।তখন সড়কটি আঞ্জলিক সড়ক ছিল।এই ৪৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের আঞ্চলিক সড়কটি এখন আঞ্চলিক মহাসড়কে রূপান্তর করে ৩৪ ফুট চওড়া করার কাজ চলছে।

immage 1000 02 4

রাস্তার বিভিন্ন স্থান ভেঙ্গে দীর্ঘদিন ফেলে রাখায় সেখানে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃস্টি হয়েছে।নির্মানাধীন রাস্তার কাজের ধীরগতি থাকায় সড়কে চলাচলকারী যাত্রী সাধারনের ভোগান্তি এখন চরমে পৌছেছে।

সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, ২০২০ সালের জুনে ৬’শ ১২ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত করণের জন্য অনুমোন দেয় একনেক।কিন্তু,দরপত্র আহবানসহ নানা জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজ শুরু করতে বিলম্ব হয় এবং দুই বার মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।সড়কটির বর্তমান প্রশস্থতা ধরা হয়েছে ৩৪ ফুট। ছয়টি গ্রুপে কাজটি শুরু হলেও ঢিলেঢালা ভাবে সড়কের কাজ করছে তিন চার পাঁচ ও ছয় নম্বর গ্রুপের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো।

immage 1000 03 3

এছাড়া সড়কের ভেন্নাবাড়ি,চামটা, জলিরপাড় ও হরিদাসপুর এলাকায় জমির মালিকানা দাবী করে বাধার সৃস্টি করায় ওইসব স্থানে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এসব জটিলতার কারনে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো কাজ বন্ধ রেখেছে। ফলে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ আর বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন চালক ও সড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা।প্রতিদিনই ঘটছে কোন না কোন দূর্ঘটনা।বিশেষ করে রোগীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

গোপালগঞ্জ থেকে টেকেরহাট যেতে যেখানে সময় লাগার কথা ১ ঘন্টা সেখানে সময় লাগছে ২ থেকে আড়াই ঘন্টা। এছাড়া যাত্রী ও পন্য পরিবহনে বেগ পেতে হচ্ছে ভ্যান, অটোরিক্সাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চালকদের।এই সড়কে চলাচলে প্রায়ই নষ্ট হচ্ছে তাদের যানবাহন। 

immage 1000 04 1

সড়ক সম্প্রসারনে ব্যাক্তি মালিকানা জমি অধিগ্রহণ করে কাজ করার দাবী ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, মাঈন উদ্দিন বাসীরে প্রজেক্ট ম্যানেজার আব্দুর রউফ বলেন, রাস্তার কাজ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেষ করতে দ্রুত করা হচ্ছে দাবী করেন এই কর্মকর্তা।

গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন জানান, বর্তমানে কাজের গতি সন্তোষজনক। ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।তবে কাজ শুরু করতে দেরী এবং বেশ কয়েকটি স্থানে ভূমি অধিগ্রহণসহ নানান জটিলতায় কাজ থেমে ছিল।যে গতিতে কাজ চলছে তাতে আগামী জুনের মধ্যে রাস্তাটির কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

যে গতিতে কাজ চলছে তাতে ৬’শ ১২ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য আঞ্চলিক মহাসড়কটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা যাবে কিনা এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনগন।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর