ছাতিম ফূলের মিষ্টি গন্ধে মাতোয়ারা করে দেয় পথচারীদের

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

এখন ছাতিম ফুলের সময়। বাতাসে ছাতিমের মৌ মৌ সুবাস। প্রকৃতিতে বয়ে বেড়ানো হালকা বাতাসের সাথে থেকে থেকে ভেসে আসে ছাতিম ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ।সেই ফুলের সুবাসে মুগ্ধ পথচারী।গাছভরা ছাতিম ফুল দেখে চোখ জুড়ায় পথচারীদের। তবে এমন ফুলের তীব্র সুঘ্রান শহরের খুব কম এলাকাতেই দেখা যায়। সারা বছর এই গাছের কথা মনে না থাকলেও এ সময়টা ছাতিম ফুল নিজেই তার সুগন্ধে অস্তিত্ব জানান দেয়।

গোপালগঞ্জ শহরের লেকপাড় সাবেক লঞ্চঘাট এলাকায়, প্রেসক্লাবের পিছনে, পৌরসভা অফিস এলাকা ও জেলা প্রশাসকের কার্যারয়ের সামনে ছাতিম গাছে ফুল ধরেছে। প্রকৃতিতে বয়ে বেড়ানো হালকা বাতাসের সাথে থেকে থেকে ভেসে আসে ছাতিম ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাতের পুরো সময়টায় এ ছাতিম ফুল ঘ্রাণ ছড়ায়। রাত বাড়ার সাথে সাথে পুরো এলাকা যেন হয়ে পড়ে মাদকতাময়।এ সুবাসে মুগ্ধ হয় পথচারী। সাদা সাদা ফুলে ঢেকে রয়েছে পুরো গাছ।গাছের দিকে তাকালে দেখা যায় সারা গাছ ছেয়ে থাকা গুচ্ছ গুচ্ছ সাদা ফুল।

immage 1000 02

শুধু ফুলের সুবাসই নয় ছাতিম গাছ দেখতেও সুন্দর ।বছরের এ সময়টায় সারা গাছ ভরে গুচ্ছবদ্ধ, তীব্রগন্ধী, সবুজ-সাদা ছোট ছোট ফুল ফোটে। এ গাছের সংস্কৃত নাম সপ্তপর্ণী। অঞ্চল ভেদে একে ছাতিয়ান, ছাইত্যানসহ নানা নামে ডাকা হয়। ইংরেজিতে একে ডাকা হয় ‘ডেভিলস ট্রি’ নামে। বৈজ্ঞানিক নাম এলস্টোনিয়া স্কলারিস।

গোপালগঞ্জ জেলা উদীচীর সভাপতি নাজমুল ইসলাম বলেন, এক সময় গ্রামের রাস্তার পাশে, বনে-জঙ্গলে অহরহ এ গাছ থাকলেও বর্তমানে খুব একটা খুঁজে পাওয়া যায় না ছাতিম গাছ। দূর থেকে ভেসে আসা সুঘ্রাণ শুঁকে গাছটিকে খুঁজে নিতে হয়। নির্বিচারে গাছ কেটে বিক্রি করা বা বসতবাড়ি নির্মাণের ফলে অন্যান্য গাছের সাথে উজাড় হতে হতে এখন এ ছাতিম গাছের দেখা মেলে না বললেই চলে।

গোপালগঞ্জ সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ-এর সহযোগি অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান শুকলাল বিশ্বাস বলেন, সারা বছর এই গাছের কথা মনে না থাকলেও এ সময়টা ছাতিম ফুল নিজেই তার সুগন্ধে অস্তিত্ব জানান দেয়। বড় বড় গাছ সাদা ফুলে ঢেকে যায়। ভালো লাগে এই সময়টায় ছাতিম ফুলের সুগন্ধ।

প্রাকৃতিক সুগন্ধি এ গাছটি যাতে আমাদের আশপাশ এলাকা থেকে বিলীন হয়ে না যায় সে ব্যাপারে সবাই সচেষ্ট হবেন এমন প্রত্যাশা সবার।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর