গোবিপ্রবি’তে প্রথমবারের মতো ভাইস চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন শিক্ষার্থীরা

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) প্রথমবারের মতো ভাইস চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড চালু করলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একাডেমিক কার্যক্রম চালুর পর ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এর আগে কখনো শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিকভাবে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়নি।

অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তোলা ও কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে এই অ্যাওয়ার্ড চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরাও।

২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ৩৩টি বিভাগের প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ৭১ শিক্ষার্থীকে নিয়ে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ভাইস চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও চেক বিতরণ করেন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর।

একাডেমিক ভবনের ৫০১ নং কক্ষে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবনে আজকের এই দিনটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ তারা পরবর্তী জীবনে যেখানেই থাকুক, তাদের সিভিতে ভাইস চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির বিষয়টা উল্লেখ করতে পারবে। যা তাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। ফলে সকল শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্যেও এটি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর আরো বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নানাবিধ সমস্যার মধ্যে শিক্ষক, ল্যাব ও বাজেট সংকট অন্যতম। তারপরও এখান থেকে মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি হচ্ছে। যারা দেশের বিভিন্ন সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আজকে যারা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে, তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়কে কতোটা সমৃদ্ধ করা যায়, সে বিষয়ে সচেষ্ট থাকবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। একসময় আমি থাকবো না, কিন্তু আমি চাই এই অ্যাওয়ার্ড চালু থাকুক। যাতে এই অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পাথেয় হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. বদরুল ইসলাম। এ সময় সকল অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর