বশেমুরবিপ্রবি-তে গবেষনার সুযোগ নেই

There is no scope for research in the University

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

সাইফুর রহমান সৈকত, বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠার ১১ বছর সম্পন্ন হলেও গবেষণায় নেই কোনো অগ্রগতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই কোনো নিজস্ব জার্নাল, শিক্ষার্থীরা পায়না গবেষনা সহকারী হিসাবে কাজের সুযোগ। 

দেশের গবেষণা সিগনেটের মতে, এটি সমস্যা নিরসনে, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে, দেশের জিডিপি উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। গবেষনা মানুষের সহনশীলতা, নমনীয়তা, প্রতিশ্রুতি, কর্মক্ষমতা, মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ এবং আনন্দের প্রতিনিধিত্ব করে!

চলমান বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম নিয়ে তোলপাড় চালাচ্ছে। যাতে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দৌড়ের কাতারে পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দ্বারা প্রচারিত র‍্যাঙ্কিং পদ্ধতি স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার অবস্থার প্রতি দৃষ্টিপাত করে শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এতে দেখা যায় দেশের শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার মান মাইক্রোস্কোপের নি

বঙ্গবন্ধুর নামে নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয় বশেমুরবিপ্রবিও গবেষণায় পিছিয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে নেই কোনো জার্নাল, নেই শিক্ষার্থীদের রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট হিসেব নিয়োগ প্রদানের রীতি। শিক্ষার্থীরা ব্যক্তি উদ্যোগে শিক্ষকদের সরণাপন্ন হলে ধীরগতিতে চলে গবেষনার কাজ। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থা না থাকায় যথেষ্ট ফান্ডিং এবং ল্যাবরেটরির অভাবে গবেষনায় আগ্রহ হারাচ্ছে উদ্যমী শিক্ষার্থীরা। 

প্রসাশনের কাছে গবেষণায় নিয়োজিত শিক্ষার্থীদের দাবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব জার্নাল প্রতিষ্ঠার এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষনার আহ্বান করে রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট হিসেবে শিক্ষার্থীদের নিয়োগ প্রদান করে গবেষণায় যাবতীয় সাহায্য প্রদানের মাধ্যমে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের গবেষক হয়ে উঠতে অবদান রাখার। 
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষনা ও উচ্চশিক্ষা ক্লাবের সভাপতি আকিব আদনান বলেন, ” বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা গবেষনায় আগ্রহী তারা যথেষ্ট সহযোগিতার অভাবে গবেষণার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল থাকলে নিজেদের গবেষণাপত্র প্রকাশে এগিয়ে থাকতাম আমরা। জার্নাল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ প্রদান এর মাধ্যমে গবেষনায় সুযোগ করে দেয়া উচিৎ। ” 

এসম্পর্কে উপাচার্যের সাথে কথা বললে তিনি জানান, “আমি গত দেড় বছর যাবৎ ডিন দের বলতেছি জার্নাল তৈরির ব্যবস্থা নিন, কিন্তু তাদের কোনো অগ্রগতি নেই। শুধু দুই অনুষদ জার্নালের নাম প্রস্তাব করেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বিদেশী জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করে কিন্তু নিজেদের ক্যাম্পাসের জার্নালে প্রকাশের সুযোগ নেই তাদের এটা দুঃখজনক।” 

তিনি আরো বলেন, “আগামী ৪ থেকে ৫ মাসের মধ্যে জার্নাল প্রকাশ না করতে পারলেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটা বুলেটিন প্রকাশ হবে যেখান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা , কর্মচারী সবার লেখা থাকবে।” 

দেশের গবেষকদের জন্য এটা আনন্দের বিষয় যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট এক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে বলেছেন যে তিনি গবেষণাকে গুরুত্ব সহকারে দেখেন, তিনি সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রস্তাব নিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি গবেষকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার জন্য এই জাতীয় প্রস্তাবগুলিকে অবশ্যই উপাদান এবং চিত্র-বর্ধক উভয় সুবিধা দেখানোর চেষ্টা করতে হবে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র জার্নাল “সমাজ ও প্রগতি” বঙ্গবন্ধু এবং লিবারেশন ওয়ার ইনিস্টিটিউট থেকে প্রকাশিত হয়। তবে তা সংযুক্ত করা নেই পরিচয়ের প্রধান মাধ্যম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর