গোপালগঞ্জে বন্যা দূর্গত মানুষের মাঝে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -
মোহনা রিপোর্ট।।
গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে বন্যা দূর্গত মানুষের মাঝে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। যেসব এলাকায় বন্যায় বসত বাড়ির পাশাপাশি গভীর নলকুপ ও অগভীর নলকুপ তলিয়ে গেছে। তাদের নিরাপদ খাবার পানির ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেসব এলাকায় গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নিরাপদ খাবার পানি সরবাহ করছে গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
সোমবার সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নে বন্যা দূর্গত প্রায় এক হাজার পরিবারের মাঝে নিরাপদ খাবার পানি সরবাহ করা হয়। খাবার পানি সরবরাহকালে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ মানোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা রতন কুমার সাহা, নিজড়া ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আজিজুর রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা রতন কুমার সাহা জানান, প্রতিদিন সকালে আমরা আমাদের ভ্রাম্যমান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নিয়ে বন্যা দূর্গত এলাকায় গিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে অব্স্থান করে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট শুরু করি। এরপর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বন্যা দূর্গতরা তাদের পানির পাত্র নিয়ে আমাদের কাছে এসে খাবার পানি নিয়ে যায়।
এই কর্মকর্তা আরো জানান, আমরা আমাদের ভ্রাম্যমান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে প্রতি ঘন্টায় ৬০০ লিটার পানি ফিল্টারিং করি। দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘন্টা আমরা বন্যা দূর্গত প্রায় এক হাজার পরিবারে খাবার পানি সরবরাহ করি। ইতিমধ্যে সদর উপজেলার সর্বত্র এই সেবা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে কাশিয়ানী উপজেলার বন্যা দূর্গত এলাকায় খাবার পানি সরবরাহের এই সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।
গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক চন্দ্র তালুকদার বলেছেন, গোপালগঞ্জ জেলার ৪৮টি ইউনিয়নের ৩শ’২৫টি গ্রাম বন্যা কবলিত হওয়ায় জেলার বিভিন্ন স্থানে খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা দূর্গত অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে আমরা আমাদের ভ্রাম্যমান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট গাড়ি পাঠিয়ে সেখানকার পানি ফিল্টারিং করে বন্যা দূর্গত মানুষের মাঝে সরবরাহ করি। আমাদের এই নিরাপদ খাবার পানি প্রদানের সেবা জেলার সর্বত্র চলমান থাকবে।
- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর