গোপালগঞ্জের ‘ইলিশ পেটি’ মিষ্টি এখন সারা দেশের রসনা তৃপ্তির নতুন আকর্ষণ

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

ঈদ, পূজা, অতিথি আপ্যায়ন কিংবা আত্মীয় বাড়ি যাওয়া-যে কোনো আনন্দ আয়োজনে মিষ্টির কদর চিরকালই আলাদা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে নানা নাম ও স্বাদের বাহারি মিষ্টি। তবে এবার গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার এক ব্যতিক্রমধর্মী মিষ্টি নজর কেড়েছে সবার। নাম তার ‘ইলিশ পেটি’ মিষ্টি। দেখতে একেবারে ইলিশ মাছের পেটির মতো হওয়ায় প্রথম দেখায় যে কেউ বিভ্রান্ত হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু মাছ নয়, এটি দুধের তৈরি সুস্বাদু এক বিশেষ মিষ্টি।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের অগ্র সুইটস্ ভিলেজে তৈরি হচ্ছে এই ব্যতিক্রমধর্মী মিষ্টি। প্রতিষ্ঠানটির মালিক গিয়াস উদ্দিন নিজ বাড়িতেই গড়ে তুলেছেন মিষ্টির কারখানা। স্থানীয়ভাবে তৈরি হলেও বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে যাচ্ছে এই বিশেষ মিষ্টি।

immage 1000 02

কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, বড় বড় কড়াইয়ে খাঁটি গরুর দুধ জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ঘন ক্ষীর। এরপর সেই ক্ষীর নির্দিষ্ট মাত্রায় শক্ত হলে সুতা দিয়ে কেটে ইলিশ মাছের পেটির আকৃতি দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ডিমওয়ালা ইলিশ মাছের পেটির আদলে তৈরি করায় মিষ্টিটির নাম রাখা হয়েছে ‘ইলিশ পেটি’।

কারখানার কারিগররা জানান, এই মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহার করা হয় গিয়াস উদ্দিনের নিজস্ব ডেইরি ফার্মের খাঁটি গরুর দুধ। দীর্ঘ সময় ধরে দুধ জ্বাল দিয়ে তৈরি করা ক্ষীরের সঙ্গে পরিমাণ মতো চিনি মিশিয়ে তৈরি হয় মিষ্টির মূল উপাদান। পরে দক্ষ হাতে একে মাছের পেটির মতো আকৃতি দেওয়া হয়।

স্থানীয় ক্রেতাদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ অনলাইনে অর্ডার করে কিনছেন এই মিষ্টি। স্বাদে ভিন্নতা ও আকর্ষণীয় আকৃতির কারণে খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘ইলিশ পেটি’ মিষ্টি। অন্য সাধারণ মিষ্টি যেখানে দুই-একদিনের বেশি ভালো থাকে না, সেখানে এই মিষ্টি  থেকে ১০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায় বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

immage 1000 01

অনলাইনেও বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪ মণ ‘ইলিশ পেটি’ মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে অর্ডার। বিশেষ করে উতসব ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে এর চাহিদা অনেক বেশী।

মিষ্টি কারখানার মালিক গিয়াস উদ্দিন বলেন, “চাকরির পেছনে না ছুটে নিজ গ্রামে কিছু করার ইচ্ছা থেকেই ডেইরি ফার্ম ও মিষ্টির কারখানা গড়ে তুলেছি। খাঁটি দুধ দিয়ে মানসম্মত মিষ্টি তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

অগ্র সুইটস্ ভিলেজে ‘ইলিশ পেটি’ ছাড়াও কাটারি ভোগ, ক্ষীর কদম, আপেল মিষ্টি, প্যারা সন্দেশ, রসমালাই সহ নানা ধরনের সুস্বাদু মিষ্টি তৈরি করা হয়। তবে নাম ও আকৃতির অভিনবত্বে ‘ইলিশ পেটি’ এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

4 মন্তব্য করুন...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর