গোপালগঞ্জে কাঁচা মরিচের ঝাঁঝে নাকাল ক্রেতা

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

মোহনা রিপোর্ট।।

গোপালগঞ্জে কাঁচা মরিচের ঝাঁঝ বেড়ে গেছে। আর এতে নাকাল ক্রেতা সাধারন। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। তাই অনেকেই কাঁচা মরিচের পরিবর্তে শুকনা মরিচ ব্যবহার করছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজারে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি গ্রামের ওদুদ মৃধা বলেন, কাঁচা মরিচ এখন ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।এখন ১০০ গ্রাম মরিচ কিনতে ২৫ টাকা লাগে। তাই মরিচ কিনতে গেলে আর তরকারি কেনা সম্ভব হচ্ছে না। বেশ কিছুদিন ধরে এমন অবস্থা চলছে।

শহরের পাঁচুড়িয়া এলাকার আকবার হোসেন বলেন, কাঁচা মরিচের যে দাম এখন তো আর মরিচ ছাড়া তরকারি খেতে হচ্ছে। বাজারে যে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে তার মান ভাল না। দাম আকাশ ছোয়া।ঝাল ও আবার কম। আমাদের পক্ষে এতো দামে মরিচ কিনে খাওয়া সম্ভব না।

শহরের বাজার এলাকার বাসিন্দা বাদল সাহা বলেন, কাঁচা মরিচের দাম বেশি হওয়া বর্তমানে শুকনা মরিচের তরকারি খাচ্ছি। শুকনা মরিচের তরকারি খাওয়ার পর বুক ও পেট জ্বলা-পোড়া করে।

গোপালগঞ্জ বড় বাজারে তরকারি ব্যবসায়ী পংকজ রায় ও নির্মল বিশ্বাস বলেন, গোপালগঞ্জে উত্তরবঙ্গ থেকে কাঁচা মরিচ আসে। বন্যার কারণে মরিচের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কাঁচা মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। আর যা পাওয়া যায় তার মানও ভাল না।বর্তমানে এক কেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা বিক্রি করলেও লাভ হয় না। অন্য তরকারি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েই মরিচ রাখতে হয়। তারপরও মরিচ নিয়ে ক্রেতার সাথে বিভিন্ন সময় বাগ-বিতন্ডা হয়।

শহরের বটতলা বাজারের রফিক মোল্লা, উন্নতি বিশ্বাস ও অনিচ মোল্লা বলেন, কাঁচা মরিচের যে দাম অনেকেই খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তারপরও আমরা দোকান চালানোর জন্য এক কেজি আধা কেজি রাখি। কিন্তু অনেকে কাঁচা মরিচের পরিবর্তে শুকনা মরিচ কিনছেন।

আড়ৎ মালিক শিবু বিশ্বাস ও দীপক বিশ্বাস বলেন, কাঁচা মরিচের আড়তে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। বন্যায় মরিচ ক্ষেতে ব্যাপক ক্ষতি হযেছে। বর্তমানে যে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে দাম অনেক বেশি। এক কথায় কাঁচা মরিচে লাভ তো দুরের কথা খরচই উঠছে না। আড়ত চালাতেই বাধ্য হয়ে মরিচ আনতে হচ্ছে।

 

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর