পৌরবাসীর পানির জন্য হাহাকার

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

স্টাফ রিপোর্টার।।

গোপালগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় পানির জন্য চলছে হাহাকার।বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ লাইনে মোটেও পানি পাওয়া যাচ্ছ না।ফলে রিজার্ভ ট্যাংকি গুলো রয়েছে পানি শূন্য। ফলে শত শত গ্রাহক পানির কষ্টে দূর্বিসহ দিন কাটাচ্ছেন। যদিও পৌর কর্তৃপক্ষের দাবী রোজার আগেই সমস্যার সমাধান হবে।

চৈত্রের গরমে জনজীবন অনেকটা অতিষ্ঠ।সেই সংগে যোগ হয়েছে পানির সংকট। গত এক মাস ধরে পৌর এলাকার নিচুপাড়া, শংকরের মোড়, জনতা রোড বাইলেন, পূর্ব মিয়াপাড়ায় পানি সরবরাহ একেবারেই নেই বল্লেই চলে।

পানি না থাকায় গোসল, রান্না ও দৈনন্দিন কাজে ব্যবহারের জন্য পানি সংগ্রহে হিমশিম খেতে হচ্ছে।পানির অভাবে নারীদেরকে দূরের টিউবয়েলে লাইনে দাড়িয়ে পানি এনে পরিবারের চাহিদা মেটাতে হচ্ছে।

পৌরসভার বাসিন্দা সজিব সরকার, রহমান মোল্লা, হুসাইন আহম্মেদ, সবিতা বিশ্বাস জানান, শহর এলাকার কিছু গ্রাহক সামান্য সময়ের জন্য পানি পেলেও বাকীরা পানি পান না এক মাস ধরে।অন্য এলাকা থেকে ভ্যানে করে কলস-বালতি ভরে টিউবলের পানি আনতে হয় এখানকার বাসিন্দাদের।গ্রাহকদের অভিযোগ তারা বিল পরিশোধ করছেন ঠিকই। অথচ পানি পাচ্ছেন না।

পানি বঞ্চিত পৌরবাসী কর্তৃপক্ষের কাছে পানি সরবরাহের জন্য গেলে শুধু আশ্বাস ও মাস শেষে বিল ধরিয়ে দেন।রন্নাসহ দৈনন্দীন কোন কাজই করতে পারছেন না।

গোপালগঞ্জ পৌর পানি সরবরাহ তত্বাবধায়ক প্রকৌঃ জাকারিয়া আলম জানান, গোপালগঞ্জ পৌরসভায় ২০০২ সালের প্লাট দিয়ে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। পুরাতন ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি দিয়ে ৬০ লক্ষ লিটার পানি সরবরাহ করা সম্ভব। অথচ চাহিদা রয়েছে ২ কোটি লিটার।তবে নতুন প্লান্টটি চালু হলে দ্রুতই পৌরবাসীর চাহিদা পুরন করা যাবে।

গোপালগঞ্জ পৌরসভা মেয়র কাজী লিয়াকত আলী লেকু পৌর এলাকার কিছু কিছু এলাকায় পানি সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে এ কথা স্বীকার করে বলেন, গরমের এই সময় এমনিতেই পানির চাহিদা বেশী।তাছাড়া গোপালগঞ্জে আগে সে প্লান্ট ছিল তা দিয়ে ৬হাজার গ্রাহককে পানি সরবরাহ করা যেত। এখন পৌর এলাকায় প্রায় ৯হাজার সংযোগ রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই পানির একটু স্বল্পতা থাকবেই। তারপরও আমরা আমাদের দ্বিতীয় প্লান্টটি শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে কাজুলিয়াতে স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে সুপীয় পানি সরবরাহের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহন করেছি। আমরা আশা করছি রমাজানের আগে আমরা সমস্যার সমাধান করতে পারবো।

আগামী রোজায় যাতে পৌরবাসীকে পানির কষ্ট না পেতে হয়, কর্তৃপক্ষ সে ব্যবস্থা নেবেন এমন প্রত্যাশা পৌরবাসীর।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর