বাড়ছে গরম, আকাশে মেঘ, বড়দিনের আনন্দ কি মাটি হবে

কটাদিন চুটিয়ে আনন্দ করে ফের নতুন বছর থেকে কাজের দুনিয়ায় প্রবেশ করেন সকলে। সামনে আবার বড়দিন। তাই আনন্দের অবকাশ নেহাত কম নেই। কিন্তু সে আনন্দ কি আদৌ পাওয়া যাবে?

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

ডিসেম্বরের শেষের দিক। বছর শেষের আনন্দ অপেক্ষা করছে। সেখানে চুটিয়ে শীত আনন্দকে পূর্ণতা দেয়। সে ঠান্ডা কি থাকবে, প্রশ্নচিহ্ন কিন্তু তৈরি হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ মানেই তো আনন্দময় দিন। পিকনিক থেকে বেড়ানো, উৎসব, মেলা, পার্টি চলতেই থাকে। কটাদিন চুটিয়ে আনন্দ করে ফের নতুন বছর থেকে কাজের দুনিয়ায় প্রবেশ করেন সকলে। সামনে আবার বড়দিন। তাই আনন্দের অবকাশ নেহাত কম নেই। কিন্তু সে আনন্দ কি আদৌ পাওয়া যাবে?

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস কিন্তু আনন্দ দিতে পারছেনা। শনিবার বেলা বাড়ার পর কলকাতা সহ আশপাশের অনেক জায়গা মেঘে ঢেকে যায়। শীতের ঝলমলে রোদ উধাও হয়ে কেমন যেন বৃষ্টির পরিবেশ তৈরি হয়।

গরম তো ২ দিন ধরেই বাড়ছিল। গরম আরও বাড়বে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরির পরিবেশ তৈরি হতেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

আবহবিদরা মনে করছেন বছরের শেষের দিকে এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়ে যাবে। বৃষ্টির পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তুরে হাওয়া বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন সর্বনিম্ন পারদ ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে। যা আরও বাড়বে বলেই পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর।

যার মানে দাঁড়াচ্ছে এক গরম বড়দিন অপেক্ষা করছে সোমবার। বড়দিনে যে শীতের রোদ গায়ে মেখে রঙিন পোশাকে শরীর মুড়ে আনন্দঘন একটা দিন কাটাতে বেরিয়ে পড়েন অনেকে তা কোথাও বাধাপ্রাপ্ত হবে।

দক্ষিণবঙ্গের একটা অংশ জুড়েই এখন আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। রোদ উঠলেও তা তেমন ঝলমলে নাও হতে পারে। আপাতত শীতের দাপট অনেকটাই উধাও হবে।

কলকাতায় বেলার দিকে মেঘে ঢাকা থাকতে পারে আকাশ। কুয়াশার দাপট বরং বাড়বে। যা অবশ্যই শীতের হাতেগোনা কয়েকটা দিনের মধ্যে একটা অন্তরায় সৃষ্টি করল।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর