কখন বিদ্যুত যায় এমন প্রশ্ন নয়, কখন আসে এই প্রশ্ন গোপালগঞ্জবাসীর

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

লোডসেডিং নিয়ে কথা হচ্ছিল গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সিংগা গ্রামের পংকজ মন্ডল আর মুকসুদপুর উপজেলার দাশেরহাট গ্রামের পরেশ বিশ্বাসের সাথে-তারা যেটি বললেন তা বিশ্লেষন করলে দাড়ায় “কখন বিদ্যুত যায়, এমন প্রশ্ন নয়, কখন আসে এই প্রশ্ন গোপালগঞ্জবাসীর“ তারা জানান, “সারাদিন প্রতি দুই ঘন্টা বিদ্যুত দেয়ার পর এক ঘন্টা লোড সেডিং দেয়া হয়।আর এতে ছেলে-মেয়েদের লেখা-পড়া, দীর্ঘ দিনের অভ্যাস ফ্যানের বাতাসে ঘুমানো, বিদ্যুত চালিত পাম্প দিয়ে বোরো ধানে পানি দেয়া সহ ফ্রিজ-টিভি চালানো সহ নানা কাজ ব্যহত হচ্ছে।” বিদ্যুতের এই আশা যাওয়ার খেলার মধ্যে দুর্ভোগে দিন কাটছে জেলার লাখ লাখ বিদ্যুত গ্রাহকের।

এরা যদিও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক।কিন্তু, যারা শহরে বসবাস করেন তারা ওজোপাডিকোর গ্রাহক।তারাকি বিদ্যুত নিয়ে সন্তুষ্ট আছেন? তাদেরকেও দিন রাতে ২৪ ঘন্টায় অন্তত ৫/৬ বার লোডসেডিং-এর আওতায় পড়তে হচ্ছে।আর এ জন্য ব্যবসা বানিজ্য, অফিস আদালতে যারা কাজ করেন তাদেরকেও পড়তে হচ্ছে নানা অসুবিধায়।

গোপালগঞ্জ শহরে বসবাসকারী ৯ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী প্রত্যাশা মন্ডল বলেন, অধিকাংশ সময় বিদ্যুত না থাকায় তার লেখ-পড়ায় ক্ষতি হচ্ছে। গরমের কারনে মোমবাতি জ্বলিয়ে লেখা-পড়া করা যায় না।

জেলা সদরের ইন্টারনেট ব্যবসায়ী সঞ্জয় বিশ্বাস জানান, বিদ্যুতের এই আশা যাওয়ায় তাদের ব্যবসা বানিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। সেই সাথে বারে বারে বিদ্যুত চলে যাওয়ায় বিভিন্ন মালামালের ক্ষতি হচ্ছে। ইন্টারনেট গ্রাহরাও বিরক্ত হচ্ছে। কেননা এক ফেস বন্ধ করে অন্য ফেসে বিদ্যুত চালু থাকায় ইন্টারনেট সেবাও ঠিকমত দেয়া যাচ্ছেনা।

সব মিলিয়ে ওজোপাডিকো ও পল্লীবিদ্যুতের গ্রাহকরা না কিছু বলতে পারছেন না কিছু করতে পারছেন। আর একারনে যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো তারা অনেকেই ইতোমধ্যে সোলার প্যানেলযুক্ত আইপিএস কিনেছেন। অনেকেই কেনার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছেন।দীর্ঘদিনের যে অভ্যাস বিদ্যুতের মধ্যে থাকা তা এখন আর লোডসেডিং-এর জন্য সম্ভব হচ্ছেনা।তাইতো বিকল্প ব্যবস্থা নিচ্ছেন অনেকেই।

ওজোপাডিকোর গোপালগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈনুদ্দিন লোডসেডিং-এর কথা স্বীকার করে জানান, তার প্রায় ৩০ হাজার বিদ্যুতের গ্রাহক আছেন। বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১৬ মেগাওয়াট। তিনি বলেন, কবে কতটুকু লোডসেডিং দেয়া হবে তা তিনিও জানেন না। তাকে গ্রিড থেকে যখন যতটুকু বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়, তিনি ততটুকু গ্রাহকদের মধ্যে সাপ্লাই দেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ১৬ মেগাওয়াটের বিপরিতে ৮ মেগাওয়াট পেয়েছিলেন, গ্রাহকদের পালাক্রমে তা বিতরন করা হয়। পল্লীবিদ্যুতের জিএম-কে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

6 মন্তব্য করুন...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর