নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে আজ রোববার বর্নাঢ্য র্যালী, আলোচনা সভা, পুরষ্কার বিতরনী ও মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে এসব কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান।
এসব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবউল্লাহ, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কৌশিক আহম্মেদ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচী ও আলোচনা সভায় সিনিয়র সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবলা চক্রবর্তী, খামার ব্যবস্থাপক তানজিলা, এ্যাড. তৌফিকুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সায়েদুল ইসলামসহ জেলা মৎস্য অফিস. উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, “রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্ত, বর্ণাঢ্য র্যালী, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর।
রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় প্রথমে উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অডিটরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা ও মৎস্যচাষীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জিলানী।
অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড়, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রকাশ বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আইয়ুব আলী, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তানভীর আহমেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এসএম জিলানী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে কোটালীপাড়ায় ২০০৩ সালের দিকে একটি মৎস্য প্রজেক্ট শুরু করি। আমার নিজেরও মাছের খামার রয়েছে, সেখান থেকেই আমার সংসার চলে। কিন্তু একটি মহল সবসময় দেশীয় ছোট মাছ ধ্বংস করে যাচ্ছে।

