গোপালগঞ্জে মিলছে ২শ’ টাকা দামের ভাপা পিঠা, চিতইয়ের সাথে ৪০ পদের ভর্তা।

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মিলছে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ২শ’ টাকা দামের ভাপা পিঠা। গুড়, নারিকেল আর চালের গুড়া দিয়ে তৈরী এই পিঠা খেতে ভিড় করছে শত শত মানুষ। সেই সাথে ১০ টাকার একটি চিতই পিঠার সাথে বিনামূল্যে মিলছে ৪০ রকমের ভর্তা। সুস্বাদু ভর্তার টানে বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পিঠার স্টলে ভিড় লেগেই থাকে। বেচা-বিক্রিও হচ্ছে বেশ ভাল। ভোজন রসিকরা পরম তৃপ্তির সাথে পিঠার স্বাদ গ্রহন করতে পারছেন।

শীতের শুরুতে সারা দেশের ন্যায় রাস্তার পাশে গড়ে ওঠে চিতই ও ভাপা পিঠার দোকান।গোপালগঞ্জের নানা জায়গায় তাই গড়ে উঠেছে চিতই আর ভাপা পিঠার দোকান। সু-স্বাদু ভর্তার টানে বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পিঠার স্টলে ভিড় লেগেই থাকে। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে মন্টু মুন্সির এ পিঠা বিক্রির স্টল বিকাল ৩ টায় শুরু হয়। চলে রাত ১২ টা পর্যন্ত।

immage 1000 02

পিঠা বিক্রেতা মন্টু মুন্সি বলেন, ২০ দিন আগে পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে পিঠার স্টল বসিয়েছি। এখানে ভাপা, চিতই সহ বিভিন্ন ধরণের পিঠা বিকেল থেকে  বিক্রি শুরু করি। গভীর রাত পর্যন্ত চলে পিঠা বিক্রি। নানা ধরণের পিঠা তৈরী করলেও সব চেয়ে বেশী বিক্রি হয় চিতই পিঠা এবং ভর্তা।আমার এখানে ১০ টাকা থেকে ২শ” টাকা দামের ভাপা পিঠা পাওয়া যায়। সেই সাথে চিতই পিঠার সাথে ৪০ প্রকার ভর্তা বিক্রি করা হয়। প্রতিদিন ৬/৭ হাজার টাকা বিক্রি নামে।

পিঠা বিক্রেতার সহকারী বিল্লাল হোসেন বলেন, আমরা প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ কেজি চালের গুড়ি দিয়ে চিতই সহ বিভিন্ন পিঠা বানিয়ে এখানে বিক্রি করি। এতে আমাদের  ২ হাজার টাকা  থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত লাভ হয়। এ শীতের মৌসুমে আমরা পিঠা বিক্রি করি। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন থেকে পিকনিকে গেলে তারা পিঠা খাওয়ার জন্য আমাদেরকে সাথে নিয়ে যেতে পারেন। তখন তারা আমাদেরকে যে  পিঠা তৈরি করে দিতে বলে আমরা সেই  পিঠা তৈরি করে দিতে পারব। সুস্বাদু  বিভিন্ন পিঠা তৈরির অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে।

immage 1000 03

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গিমাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা রানি (২৫) বলেন, পিঠার সাথে আমাদের এলাকায় সাধারণত ৫/৬ রকমের ভর্তা পওয়া যেত। এইবার প্রথম টুঙ্গিপাড়ায়  ১০ টাকা দিয়ে একটি চিতই পিঠা কিনলে সাথে ৩০ প্রকারের ভর্তা পাওয়া যাচ্ছে। এক এক ধরণের ভর্তার স্বাদ এক এক রকম। পিঠা খাওয়া শুরু করলে ভর্তা দিয়ে এক সাথে ৮/১০ টি খেয়ে ফেলি। তাই  সন্ধ্যায়  ভর্তার টানে এখানে  চিতই পিঠা খেতে ছুটে আসি।

পিঠা খেতে আসা নাঈমউদ্দিন (৩০) বলেন, আমি এ উপজেলায়  চাকুরী করি। পরিবারের কেউ এখানে থাকে না। তাই পিঠা তৈরি করে খাওয়ার সুযোগ নেই। এ জন্য  পিঠা খেতে ইচ্ছা হণে,এখানে চলে আসি। এ দোকানের চিতই পিঠা ও ভর্তা খুবই মজাদার।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী বাজারের ব্যবসায়ী শ্যামল বিশ্বাস (৩৫) বলেন, সন্ধ্যায় বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন আসলে তাদের চিতই পিঠা ও ভর্তা দিয়ে আপ্যায়ন করি। মাত্র কয়েক দিনে এ পিঠার খ্যাতি টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সদরে জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ দোকানের চিতই পিঠা ও ভর্তা খুবই মজাদার। সন্ধ্যায় বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন আসলে চিতই পিঠা ও ভর্তা দিয়ে আপ্যায়ন করেন অনেকই। মাত্র কয়েক দিনে এ দোকানের পিঠার খ্যাতি টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সহ আশ পাশ উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর