ঈদ ও বৈশাখী মেলাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পাড় করছে কোটালীপাড়ার মৃৎ শিল্পীরা

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

কোটালীপাড়া(গোপালগঞ্জ)প্রতিনিধি:

মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান পবিত্র ঈদ উল ফিতর। অপর দিকে বাঙ্গালী জাতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। এই দুই উৎসবকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার মৃৎ শিল্পীরা এখন ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।

উপজেলার হিরণ ইউনিয়নের হিরণ গ্রামের ৪৫ টি পাল পরিবারের সদস্যেরা পূজা, ঈদ ও পহেলা বৈশাখ ও চৈত্র সংক্রান্তির মেলাসহ বিভিন্ন উৎসবে প্রতিমা এবং মাটির জিনিসপত্র তৈরী করে থাকেন।

সরেজমিনে হিরণ গ্রামের পাল পাড়ায় গিয়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকল বয়সের নারী পুরুষকে মাটির বিভিন্ন খেলনা তৈরীর কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

immage 1000 03

কেউ কাঁদামাটি ছেনে তৈরী করছে পুতুল, কেউ ব্যস্ত খেলনা তৈরীতে। অনেককে দেখা যায় এসব রোদে শুকাতে। কেউবা রং তুলির আঁচড়ে এসব সামগ্রীকে রাঙিয়ে তুলছেন।

বর্তমানে প্লাস্টিকের বিভিন্ন খেলনা তৈরী ও রং এবং মাটির দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে আগের তুলনায় মাটির তৈরী এসব সামগ্রী বিক্রিতে লাভ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বলাই পাল।

তিনি আরো বলেন, বাপ-দাদার আমল থেকে আমরা এই কাজ করে আসছি। পূজার সময় আমরা প্রতীমা তৈরী করি। বছরের অন্যান্য উৎসবের সময় মাটির হাতি, ঘোড়া, বাঘ, হরিণ, ময়ূর, কাঁঠাল, আম, পেপে, আপেল, হাড়ি, পাতিল ও মাটির ব্যাংকসহ বিভিন্ন খেলনা তৈরি এবং বিক্রি করি।

এইচএসসি পরীক্ষার্থী বিশ্বজিত পাল বলেন, ঈদ ও বৈশাখী মেলা উপলক্ষে বর্তমানে আমাদের কাজের খুব চাপ। যে কারনে লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে আমিও কাজে হাত লাগাই বাবা-মায়ের সাথে।

সমাপ্তি পাল বলেন, আমি হিরণ পঞ্চপল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ি। রমজান মাস উপলক্ষে বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে অন্যদিকে বাড়িতে মাটির জিনিসপত্র তৈরীর কাজের চাপও বেশি তাই আমি মাটির সামগ্রীগুলো রংয়ের কাজ করছি।

সত্তোরর্ধ দেবী রাণী পাল বলেণ, এখন সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। আগের মত মাটির তৈরী জিনিসের চাহিদাও নেই। তাই সরকারিভাবে আমাদের কে যদি একটু সহযোগিতা করা হতো তাহলে আমরা পুরাতন এই শিল্পটাকে ধরে রাখতে পারতাম।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রাকিবুল ইসলাম শুভ বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবন মান উন্নয়ন প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প ছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মৃৎ শিল্পীদের সহযোগিতা করার সুযোগ ছিল। বর্তমানে এই প্রকল্পটি বন্ধ রয়েছে। পরবর্তীতে প্রকল্পটি চালু হলে তাদেরকে সহযোগিতা করা হবে।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর