Home অর্থনীতি গোপালগঞ্জে মধুমতি নদী থেকে কচুরিপানার স্তুপ অপসারণে উদ্যোগ

গোপালগঞ্জে মধুমতি নদী থেকে কচুরিপানার স্তুপ অপসারণে উদ্যোগ

০
গোপালগঞ্জে মধুমতি নদী থেকে কচুরিপানার স্তুপ অপসারণে উদ্যোগ

গোপালগঞ্জে মধুমতি নদীর মানিকহার ব্রিজের নিচ থেকে কচুরিপানার স্তুপ অপসারণের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। নদীর ওই স্থানে কচুরিপানার স্তুপ সৃষ্টি হওয়ায় ১৮ দিন ধরে গোপালগঞ্জের সাথে ৫ জেলার নৌ চলাচল বন্ধ ছিলো।

আজ সোমবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ কচুরিপানা অপসারণ শুরু হয়।

জেলা প্রশাসক মো্. কামরুজ্জামান এ কার‌্যক্রমের উদ্বোধন করেন।এ সময় পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহসিন উদ্দীন, গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস,এম রেফাত জামিল সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের গোপালগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী এস.এম রেফাত জামিল জানিয়েছেন, দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ করে এ নৌ-রুটে নৌযান চলাচল শুরু হবে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার উরফি ইউনিয়নের মধুমতি নদীর মানিকহার সেতুর নিচে কচুরিপানার স্তুপ ৫শ’ মিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃতি লাভ করে। কচুরিপানার ওপর দিয়ে ১৮ দিন ধরে নৌকা, ট্রলার, কার্গো সহ অন্যান্য নৌযান চলাচল করতে পারছিলো না। এতে গোপালগঞ্জের সাথে খুলনা, ররিশাল, নড়াইল, বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার সাথে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।আমরা জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় লোকজন দিয়ে কচুরিপানা অপসারণ শুরু করেছি।

immage 1000 03

আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে ট্রলার, ভেকু মেসিন সহ অন্যান্য মেসিনের সাহায্যে কচুরিপানা দ্রুত অপসারণ করা হবে।তারপর থেকেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ রুটে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

উরফি ইউ.পি চেয়ারম্যান মনির গাজী বলেন, জেলার প্রধান নদী মধুমতি নদী। এ নদী দিয়ে ৫ জেলায় প্রতিদিন অন্তত ২শ’  নৌকা, ট্রলার, কার্গো সহ বিভিন্ন ধরণের নৌযান চলাচল করে।১৮ দিন আগে মানিকহার ব্রিজের নীচে পিলারের সাথে কচুরিপানার আটকে জমতে থাকে। আস্তে আস্তে কচুরিপানা স্তুপে পরিনত হয়। পুরো নদীর ৫০০ মিটার কচুরিপানার স্তুপ  দখল করে নিয়েছে। কচুরিপানার স্তুপের উপর দিয়ে নৌযান চলাচল করতে পারছে না।ফলে এ রুটে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে পণ্য পরিবহন ও নৌচলাচল ব্যাহত হচ্ছে। জনস্বার্থে কচুরিপানার স্তুপ অপসারণ করে নৌ চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছিলাম।বিষয়টি ভিডিও করে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহসিন উদ্দীনকে পাঠাই। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আজ সোমবার মধুমতি নদী থেকে  কচুরিপানা অপসারণ শুরু হয়েছে। এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here