Home গোপালগঞ্জ সংবাদ কোটালীপাড়ায় গ্রামীণ মাটির সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে অন্ততঃ ২০ হাজার মানুষ।

কোটালীপাড়ায় গ্রামীণ মাটির সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে অন্ততঃ ২০ হাজার মানুষ।

কোটালীপাড়ায় গ্রামীণ মাটির সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে অন্ততঃ ২০ হাজার মানুষ।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় গ্রামীণ মাটির রাস্তা ও পাকা সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ৫গ্রামের অন্ততঃ ২০ হাজার মানুষ।এ রাস্তা নির্মাণে স্থানীয় ইউ,পি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা।তবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তার দাবী রাস্তা নির্মাণে কোন অনিয়ম হয়নি।

গোপালগগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার মান্দ্রা, টুটাপাড়া, জাঠিয়া, কবলারপাড় ও টিহাটি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষের কোটালীপাড়া উপজেলা সদরে যেতে হতো কুশলা ইউনিয়নের ঘাঘর নদীর পাড় দিয়ে। তবে বর্ষা মৌসুমে পাড়টি তলিয়ে গেলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো এসব গ্রামের অন্ততঃ ২০ হাজার গ্রামবাসীকে।

immage 1000 03

এই ভোগান্তির কথা চিন্তা করে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে কোটালীপাড়া উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের মান্দ্রা থেকে জাঠিয়া পর্যন্ত মাটির রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কাজটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর পিআইসি কমিটির মাধ্যমে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ চৌধুরীকে নির্মাণ কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়।

কিন্তু এক বছর আগে কাজ শুরু হলেও ৬ কিলোমিটার মাটির রাস্তার মধ্যে মাত্র ৩ কিলোমিটার রাস্তা সম্পন্ন হয়।বাকী তিন কিলোমিটার কাজ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারন মানুষ।এমনকি কাজ হওয়া তিন কিলোমিটার রাস্তা সিডিউল অনুযায়ী যা হওয়ার কথা বাস্তবে তা নেই। আর উচ্চতা আগের থেকে দেড় ফুট নিচু করে রাস্তার কাজ কারার অভিযোগ উঠেছে।

immage 1000 02

এমনকি বৃষ্টি হওয়ায় নির্মাণকৃত সড়ক ভেঙ্গে যেতে বসেছে। কাজ না হওয়ায় বাকি ৩ কিলোমিটার রাস্তায় মাটি খুঁড়ে রাখায় চলাচলে ভোগান্তি চরম আকারে নিয়েছে। গত জুনে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও স্থানীয় ইউ,পি চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দূর্নীতির কারনেই রাস্তাটি নির্মাণ শেষ করা যাইনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী গ্রামবাসীদের।প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবী ভুক্তভোগী গ্রামবাসীদের।

রাস্তার নির্মাণ কাজের পিআইসি ও কুশলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ চৌধুরী রাস্তার প্রশস্ততা ও উচ্চতার প্রশ্নে বলেন, বিগত এক বছর আগে রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং মানুষের চলাচলে কিছুটা দেবে গেছে।

immage 1000 04

কোটালীপাড়া উপজেলার কুশলা ইউ.পি চেয়ারম্যান ও পিআইসি কমিটির সভাপতি সুলতান মাহমুদ চৌধুরী বলেন,অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বিগত একবছর আগে রাস্তার কাজ সম্পন্ন হওয়ায় কিছুটা দেবে গেছে আর বৃষ্টির কারনে দুই পাশের মাটি নেমে গেছে বলে দাবী স্থানীয় ইউ,পি চেয়ারম্যানের।

এই সব অভিযোগের তদন্তে জেলা দুর্নীতি দমন অফিসের উপপরিচালক মোঃ মশিউর রহমানের নেতৃত্বে দুদকের একটি দল গত মঙ্গলবার(২৯ এপ্রিল)রাস্তা পরিদর্শনে যান।এ বিষয়ে তিনি বলেন তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

immage 1000 05

কোটালীপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সফিউল আজম বলেন, রাস্তা নির্মাণে কোন অনিয়ম পাওয়া যায়নি এমন দাবী করে উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, প্রকল্পের কাজ যেটুকু শেষ হয়েছে সেইটুকু বুঝে নিয়ে বিল দেয়া হয়েছে।বাকী কাজ সম্পন্ন হলে যাচাই বাছাই করে বাকি বিল পরিশোধ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here