গোপালগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত ৪৩, মৃত-১, পজেটিভ-১

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জে আজ বৃহস্পতিবার পর‌্যন্ত ৪৩ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে জেলার বিভিন্ন হামপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১০ মাস বয়সের এক কন্যা শিশু মারা গেছে। এখন পর‌্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৩০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে একজনের হাম পজেটিভ রিজাল্ট এসেছে। বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রুগীদের মধ্যে ৩০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরে গেছে। বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ১২ জন রুগী গোপালগঞ্জ ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পর‌্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছে।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানাগেছে, গোপালগঞ্জে হাম শানাক্ত করার কোন ল্যাব নেই। ফলে নমুনা সংগ্রহ করে পাঠাতে হচ্ছে ঢাকায়। একটি নমুনা পরীক্ষা করতে অন্তত ৩ থেকে ৪ দিন সময়ের প্রয়োজন হয়। তবে নমুনার চাপ থাকলে তা ৭ দিনেরও বেশি সময় লাগে।

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা: আবু সাইদ মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপালগঞ্জসহ বাংলাদেশের কোন জেলা পয্যায়ে হাম শনাক্ত করার ল্যাব নেই। হামের নমুনা সংগ্রহ করে তা ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে হামের লক্ষণ সরাসরি দেখা দেওয়ায় ল্যাব কোন প্রয়োজন হয় না। আর ল্যাব না থাকায় চিকিৎসা সেবা দিতেও কোন সমস্যা হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে সকল সরকারী হাসপাতালগুলোতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে হামের লক্ষণ নিয়ে কোন রোগী আসলে দ্রুত চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। দ্রুত নমুনা সংগ্রহ করে তা পাঠাতে ও সিভিল সার্জন অফিসকে বিষয়টি দ্রুত জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানাগেছে, গত ২৭ মার্চ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার টেংরাখোলা ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গা গ্রামের তুহিন শেখের তৃতীয় সন্তান ১০ মাসের তুবা ইসলাম তোহা হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকার একটি প্রা্টভেট হাসপাতালে মারা যান। এরপরই নড়েচড়ে বসে গোপালগঞ্জের স্বাস্থ্যবিভাগ। পরে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক তোহার বাড়ী যান। একই সাথে আশপাশের গ্রামে তথ্য সংগ্রহ করে হামের টিকার দেয়ার নির্দেশও দেন। গত ১৯ মার্চ  তার জ্বর দেখা দেয়। পরে শ্বাসকষ্ট ও সারা শরীরে হাম দেখা দেয়।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর