Home গোপালগঞ্জ সংবাদ গোপালগঞ্জ জেলা রোভারের ৪ সদস্যের পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ শুরু

গোপালগঞ্জ জেলা রোভারের ৪ সদস্যের পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ শুরু

গোপালগঞ্জ জেলা রোভারের ৪ সদস্যের পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ শুরু

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) মেইন গেইট থেকে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পটুয়াখালী পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রমের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন চার রোভার স্কাউট।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোরে তাদের পরিভ্রমণ শুরু হয়।এই পরিভ্রমণে অংশ গ্রহণ করেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী রোভার ইমরান, রোভার অশোক, রোভার তরিকুল এবং সরকারি মুকসুদপুর কলেজের ১ শিক্ষার্থী রোভার মুরছালিন।

পরিভ্রমণ কারীরা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাত্রা শুরু করে বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা হয়ে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পটুয়াখালী পোঁছাবে। পাঁচ দিনের এই ভ্রমণে বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সাক্ষাৎ এবং সামাজিক সচেতনতা মুলক প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করবে।

immage 1000 02

এসময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক ও সহযোগী অধ্যাপক সমাজবিজ্ঞান মোঃ মজনুর রশিদ ( উডব্যাজার) এবং গোপালগঞ্জ জেলা রোভারের সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালযয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুবাইর আল মাহমুদ (এ.এল. টি.)

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রোভার ও দলনেতা ইমরান ( ইংরেজি বিভাগ) বলেন,”আমি যদি সহজ ভাবে বলি, পরিভ্রমণ মানে হলো কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করা।তবে সাধারণ ভ্রমণ আর পরিভ্রমণের মাঝে পার্থক্য হলো,এখানে বিনোদনের চেয়ে শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের বাস্তব দিকটি বেশি গুরুত্ব বহন করে।মুলতঃ প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের লক্ষ্যে ছয়টি পারদর্শিতা ব্যাজের অন্তর্ভুক্ত একটি পরিভ্রমণকারী ব্যাজ।এই ব্যাজ অর্জনের লক্ষ্য এবং অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির জন্য এই পরিভ্রমণ করছি। “পরিভ্রমণ সম্পর্কে রোভার তরিকুল(ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট) বলেন,”পরিভ্রমণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশের খুব কাছাকাছি গিয়ে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পেয়ে থাকি।ঐতিহাসিক স্থাপনা দর্শন, সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারি এবং দীর্ঘ পথ পায়ে হাঁটার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হই।সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের মতো গুণাবলী অর্জনে সহায়ক। সেই সাথে চিত্তবিনোদন বা মানসিক প্রশান্তি অর্জনের সুযোগ তো আছেই। পাশাপাশি স্মৃতির ভান্ডার সমৃদ্ধিও করে থাকে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here