কাফনের কাপড় পরে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

 স্টাফ রিপোর্টার।।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে। অনেক মুক্তিযোদ্ধা চাহিদা মাফিক টাকা দিয়ে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকালে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাদপড়া মুক্তিযোদ্ধারা কোটালীপাড়া উপজেলার টুপুরিয়া এলাকার হেমায়েত বাহিনী স্মৃতি যাদুঘরের সামনের সড়কে কাফনের কাপড় পরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন থেকে পুনঃ যাচাই-বাছাই ও মুক্তিযোদ্ধাদের টাকা ফেরত দেয়ার দাবী জানানো হয়েছে। অন্যথায় আমরণ অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

পরে সেখানে হেমায়েত বাহিনীর প্রধান হেমায়েত উদ্দিন বীরবিক্রমের ভাই সাবেক কোটালীপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার সামচুল হকের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল আজিজ, আব্দুল মান্নান, হেমায়েত উদ্দিন বীর বিক্রমের বোন মোমেলা বেগম, মোখলেস মোল্লা, সিরাজুল ইসলাম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান বলেন, যেহেতু এই যাচাই বাছাইয়ে কোটি কোটি টাকার বানিজ্য হয়েছে তাই এই যাচাই বাছাই বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। সঠিক ভাবে যাচাই বাছাইয়ের জন্য আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি টাকা দেওয়ার পরেও আমার নামটি দ্বিধাবিভক্ত সিন্ধান্তর তালিকায় রাখা হয়েছে। আমি একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। আমি ভারত থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত। আমার মতো এ ধরণের অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে দ্বিধাবিভক্ত সিন্ধান্তের তালিকায় রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ের কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মাহফুজুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে সাংবাদিকদেরকে জানান, নামঞ্জুর এবং দ্বিধাবিভক্ত সিন্ধান্তর তালিকায় নাম থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধারা আগামী ১এপ্রিল জামুকায় আপিল করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ জানুযারী কোটালীপাড়াসহ গোপালগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে কোটালীপাড়ায় হেমায়েত বাহিনী প্রধানসহ ৩৬২ জন মুক্তিযোদ্ধার যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ২৬ জনকে “গ” তালিকাভূক্ত করে বাদ ও ১১৮ জনকে “খ” তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।

৪ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ছিলেন জামুকার প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ লুৎফর রহমান। সদস্য সচিব হিসেবে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মাহফুজুর রহমান। স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক সরদার ও জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়াবুর রহমান সরদার।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর