গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া যাত্রাপালা

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

স্টাফ রিপোর্টার।।

বাঙ্গালী সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত যাত্রাপালা। আধুনিকায়নের এই যুগে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই ঐতিহ্য। তবে বর্তমান প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি পৌঁছে দিতে দীর্ঘদিন পর হলেও গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো যাত্রা উৎসব। আগামী প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরতে আগামীতেও এমন আয়োজনের দাবী সংস্কৃতি প্রেমীদের।

একসময় গ্রামে-গঞ্জে রাতভর মঞ্চস্থ হতো যাত্রাপালা। দূর–দূরান্ত থেকে হাজারো যাত্রা প্রেমী এসে ভীড় জমাত আসরে তাদের প্রিয় শিল্পীদের অভিনয় দেখার জন্য। মুজিব জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর আয়োজনে গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া যাত্রা উৎসব। অরণ্য অপেরার যাত্রা শিল্পীরা ““মাধবী কেন বিরঙ্গনা”  যাত্রাপালায় তাদের অভিনয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী।

 

স্যাটেলাইট ও আধুনিকাতার যুগে জনপ্রিয়তা হারিয়ে যেতে বসেছে যাত্রাপালা। সেই সাথে করোনার কারনে কোন অনুষ্ঠান না হওয়ায় কমে যেতে থাকে যাত্রাপালার কদর। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েন যাত্রা শিল্পীরা। দীর্ঘ দিন পর হলেও যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হওয়ায় খুশি যাত্রা শিল্পীরা। মেলা, অনুষ্ঠাসহ বিভিন্ন উৎসবে যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হলে কর্মময় হয়ে উঠবে তাদের জীবন এমনটাই মনে করেন শিল্পীরা।

বৃহস্পতিবার(২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ জেলা শহরের লেকপাড়ের মুক্তমঞ্চে এ যাত্রা উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা।বাঙ্গালীর বিনোদনের অন্যতম বাহক যাত্রাপালা দেখতে মুক্তমঞ্চে ভীড় করেন নারী পুরুষসহ নানা বয়সী দর্শনার্থী। যাত্রাপালা দেখতে পেরে খুশি তারা। বাংঙ্গালীর সংস্কৃতি ধরে রাখতে আগামীতেও এমন আয়োজনের প্রত্যাশা দর্শনার্থীদের।হারিয়ে যাওয়া এ যাত্রাপালা টিকিয়ে রাখতে আগামীতেও আয়োজন করার কথা জানান জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা। গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি যাত্রাপালাকে টিকিয়ে রাখতে সরকারী সহযোগীতার পাশাপাশি এগিয়ে আসবে উদ্যোক্তারা এমনটিই প্রত্যাশা সাংস্কৃতিক প্রেমীদের।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর