গোপালগঞ্জে ম্যানেজিং কমিটির দ্বন্দের জেরে প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

স্টাফ রিপোর্টার :

গোপালগঞ্জে হরিদাসপুর ফকিরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দাতা সদস্য নির্বাচিত করার দ্বন্দের জের ধরে প্রধান শিক্ষক রেহানা আক্তারকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার ফকিরকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, সম্প্রতি হরিদাসপুর ফকিরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য সভাপতি ও দাতা সদস্য নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আজ শনিবার সকালে এ বিষয় নিয়ে একটি মিটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলে সকলে উপস্থিত হন। কিন্তু দাতা সদস্য মো: রাজীব শেখ জানানো হয়নি এমন অভিযোগ এনে তার লোকজন প্রায় দুই ঘন্টা ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেহানা আক্তারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে মিটিং অসমাপ্ত রেখেই অফিস কক্ষে তালা মেরে চলে যেতে বাধ্য হন প্রধান শিক্ষক।

এ বাপারে দাতা সদস্য মো: রাজীব শেখ বলেন, আজ সকালে সদস্যদের নিয়ে একটি মিটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রধান শিক্ষক রেহানা আক্তার। কিন্তু দাতা সদস্য হওয়ার পরও আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষকের কাছে জানাতে চান। পরে আর কোন মিটিং না করে প্রধান শিক্ষক চলে যান।

প্রধান শিক্ষক রেহানা আক্তার বলেন, হরিদাসপুর ফকিরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দাতা সদস্য নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি অভিযোগ পড়ে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে যে দাতার জমি বেশি তাকে সভাপতি ও দাতা সদস্য করে কমিটি করার নির্দেশ দেয়া হয়।

সেই নির্দেশে আজ মিটিং করার কথা ছিল। সেজন্য সকলকে বলা ও হয়। কিন্তু দাতা সদস্য রাজীব শেখকে কেন মিটিং এর কথা জানানো হয়নি এ অভিযোগ এনে তিনি ও তার লোকজন আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে অবরুদ্ধ করে রাখে। এতে মিটিং না করেই আমি চলে আসতে বাধ্য হই।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: সাদেকুর রহমান খান বলেন, অভিযোগে ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হয়। পরে মিটিং করার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। কিন্তু আজ ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়টি আমরা জানা নেই। ওই শিক্ষক কোন অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর