নড়াইলে জেলা কালচারাল অফিসারের দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন

কিন্তু এ সংগঠনের জন্য নির্র্ধারিত পাওনা ছিল ১০ হাজার টাকা। এ উৎসবে অংশগ্রহনকারী শিল্পী, বিচারক ও কলাকুশলীসহ মোট ৭২জনের কাওকে টাকা দেননি।

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার মো. হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত কমটি গঠিত হয়েছে। আগামি রবিবার ২৪ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অভিযোগকারী ও ভূক্তভোগিদের নিয়ে এক শুনানী অনুষ্ঠিত হবে।

নড়াইল জেলা কালচারাল অফিসার মো. হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে তার অপসারণের দাবিতে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট নড়াইল ১৩ ডিসেম্বর জেলা প্রাশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি দেয়। এরই ভিত্তিতে তদন্তের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, ৩ ডিসেম্বর জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব-২০২৩ এর জন্য দুই লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। সেখানে একটিমাত্র সাংস্কৃতিক সংগঠনকে দুই হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এ সংগঠনের জন্য নির্র্ধারিত পাওনা ছিল ১০ হাজার টাকা।

এ উৎসবে অংশগ্রহনকারী শিল্পী, বিচারক ও কলাকুশলীসহ মোট ৭২জনের কাওকে টাকা দেননি। এর আগে গত ৫জুন নড়াইল শিল্পকলা একাডেমীতে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ ছিল ২লাখ টাকা। এ অনুষ্ঠানে সংগীত,নৃত্য, আবৃত্তি ও একক অভিনয়ে ২১জন বিচারক রাখার কথা থাকলেও রাখা হয় ১০জনকে।

প্রত্যেক বিচারক ও শিল্পীদের জন্য নির্ধারিত সম্মানি না দেওয়া হয়নি। এছাড়া বিভিন্ন কর্মশালা ও অনুষ্ঠানে একইভাবে শিল্পী ও কলাকুশলীদের নির্ধারিত অর্থ না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামের লাইটিং, সাউন্ড, ইলেকট্রিক ও ভবন সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এ কাজে খাতা-কলমে টেন্ডার দেখিয়ে মূলত নিজেই কাজ করেছেন। এ ছাড়া শিল্পকলা একাডেমিতে সংগীতের বিভিন্ন শাখার ক্লাস চলাকালীন সময়ে কালচারাল অফিসার সংগীত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে তিনি অসদাচরণ করে থাকেন।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট নড়াইলের সভাপতি মলয় কুমার কুন্ডু বলেন, বর্তমান কালচারাল অফিসার একের পর এক বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতি করে যাচ্ছেন। এর আগে ময়মনসিংহ জেলায় দায়িত্বরত অবস্থায় সেখানে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ ওঠে এবং তা প্রমানিত হয়েছে। আগামি রবিবার তার বিরুদ্ধে শুনানীতে বিভিন্ন অভিযোগের প্রমান হাজির করা হবে বলে জানান।

অভিযোগের বিষয়ে জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ হামিদুর রহমান বলেন, ৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবের টাকা এখনও উত্তোলন করা হয়নি। এ অর্থ সবাইকে দেয়া হবে। এছাড়া সমস্ত অনুষ্ঠান নিয়ম মেনেই করা হয়েছে।

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, রবিবার গণ শুনানী অনুষ্ঠিত হবে এবং দ্রæততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়া হবে।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর