গোপালগঞ্জের বৌলতলী এলাকায় ট্রাকের সাথে সোনালী পরিবহনের একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় বাসের অন্তত ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে দুই জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে।
আজ মঙ্গলবার(১৮ আগস্ট)দুপুরে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের বৌলতলী এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে পরিচয় পাওয়া দুই জন হলেন-ফরিদপুর জেলার সালতা উপজেলার উত্তর চন্ডিবর্দি গ্রামের শিপন শেখের ছেলে এনডিই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ট্রাক ড্রাইভার নাদিম শেখ(২৮) ও বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার বড় কাঠালি গ্রামের আব্দুল কাদের মুসাল্লীর ছেলে এনডিই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি গার্ড আবু হাসিব মুসাল্লী (১৯)। নিহত অজ্ঞাত(৬৫) নারী পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দ্রুতগতির কারণে এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে।সোনালী পরিবহনের লোকাল বাসটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে করপাড়া স্টেশনে পৌঁছানোর কথা ছিলো।কিন্তু দ্রুতগতির কারণে বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ পরিদর্শক শফিউল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, গোপালগঞ্জের টেকেরহাট থেকে গোপালগঞ্জ শহরগামী একটি লোকাল বাস ঘটনাস্থলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ড্রাম ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এতে বাসটি রাস্তার পাশে খাঁদে এবং ট্রাকটি রাস্তার উপর উল্টে পড়ে যায়।এতে নারীসহ ৩ জন নিহত ও অন্তত ২০ বাস যাত্রী আহত হয়েছেন।
গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নিহত ও আহতদেরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে বলেও্ তিনি জানান। বর্তমানে আহতদের মধ্যে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে একজন এবং গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে ১৫ জনকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৌশিক আহমেদ বলেছেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের আর্থিক সতায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে বের করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
