গোপালগঞ্জে ৪৬ টি স্থানে নদী ভাঙ্গন ঝুকি। শংকায় রাত কাটে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষের

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জে নদী ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে।প্রতি বছরই ভাঙ্গচে নদী। আর সেই সাথে নিঃস্ব হচ্ছেন জেলার বাসিন্দারা। জেলার ৪৬টি স্থানে তৈরি হয়েছে মারাত্মক ভাঙন ঝুঁকি। এসব এলাকার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কম বেশি নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বর্ষার পানিতে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে গোপালগঞ্জের মধুমতি, কুমার, ঘাঘর, বাঘিয়া ও শৈলাদসহ সকল নদ-  নদী। আর এর সঙ্গে শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর তীরবর্তী এলাকায় ৪৬টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট কম-বেশি ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।  যেকোনো সময় বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে করছেন স্থানীয়রা।

গোপালগঞ্জের জালালাবাদ ইউনিয়নের ভুক্তভোগীরা জানান, সেখানকার মধুমতি নদীর প্রায় ৩ কিলোমিটার  নদীভাঙ্গনের তান্ডব চলছে। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে অনেকেই তাদের সর্বস্ব হারিয়েছে।  অনেকে ঘর-বাড়ি চাষের জমি-জমা সর্বস্ব হড়িয়ে নদীর অন্যপাড়ে নড়াইল জেলায় জেগে ওঠা নদী চরে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকারিয়া ফেরদৌস বলেছেন, গোপালগঞ্জে আগেই নদীভাঙ্গন এলাকা থাকলেও এবছর নতুন করে আরো প্রায় এক হাজার মিটার এলাকায় নদী ভাঙ্গন হওয়ায় নদীর পাড়ের স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতির সম্মূখীন হয়েছে।গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে.এম বাবর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে আমাদের জরুরী প্রতিরক্ষা কাজের নির্দেশ দেন। এরপর আমরাও পরিদর্শন করে আমাদের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ১২শ’ মিটার এলাকা জিওব্যাগ ডাম্পিং করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহন করেছি। এই জেলায় আরো প্রায় ১৫শ’ মিটার এলাকা নদীভাঙ্গন রয়েছে। সেসব এলাকায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ করার জন্য আমরা আপ্রান চেষ্টা করছি।

এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে চলতি অর্থবছরে দুর্যোগকালীন জরুরি বরাদ্দ থেকে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি প্যাকেজে শুরু হয়েছে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ। গোপালগঞ্জের জালালাবাদ, ডুবসী মোল্লাপাড়া এলাকায় চলছে জিও ব্যাগ ডাম্পিং এর কাজ-জানালেন গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আনিস হায়দার খান।

অস্থায়ীভাবে জিও ব্যাগ ফেলে আপাততঃ নদী ভাঙন ঠেকানো গেলেও দীর্ঘমেয়াদে এতে সমস্যার সমাধান হবে না।স্থানীয়রা নদীর পাড়ে সিসি ব্লক দিয়ে টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর