গোপালগঞ্জে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে।

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

স্টাফ রিপোর্টার।।

গোপালগঞ্জে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় জেলার মধুমতি নদীর পানি ১৬ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার এবং মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের পানি বিপদসীমা থেকে নেমে ১০ সিন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।নদীর পানি কমতে শুরু করায় নদী তীরবর্তী এলাকার গ্রামে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদহ, উরফি, ইছাখালি ও ধলইতলায় , গোবরাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মধুমতি নদীর পাড় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।আজ মঙ্গল সকালে গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য  এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে গত ১৫দিন যাবত বন্যার পানি   গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ সদর, মুকসুদপুর, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার অন্তত ৩০টি গ্রামে ঢুকে পড়ে এবং ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন হাজারও পরিবার। এখনও ওইসব গ্রামের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট পানির নিচে রয়েছে।পানিবন্ধী শত শত পরিবার বিভিন্ন স্কুল কলেজসহ উঁচু  জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। এসব পরিবার গরু ছাগল  ও হাঁস মুরগি নিয়ে চরম দুর্ভোগে জীবন যাপন করছে বলে জানাগেছে।

কাশিয়ানী উপজেলার সিংগা গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী পংকজ মন্ডল বলেন, আমার দোকানের মধ্যে হাটু সমান পানি। রাস্তাঘাট তলানো। গ্রামের শত শত বাড়ি পানির নিচে। ছেলে মেয়ে নিয়ে আমরা সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। অনেকে আবার গবাদিপশু-পাখি নিয়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে।তবে দুই দিন হলো পানি একটু একটু করে কমতে শুরু করেছে।

কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাইকেল ওঝা বলেন, কলাবাড়ি ইউনিয়নের বেশীরভাগ গ্রামই পানিতে তলানো। এসব এলাকার প্রায় দেড় হাজার পরিবার পানিবন্দি। হাজারও মাছের ঘের ভেসে গেছে। এতে ব্যপক অন্তত ক্ষতি হয়েছে।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন,বন্যাদুর্গতদের প্রতিদিনই শুকনা খাবার, চালডাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য এবং স্যালইন ও পানি বিশুদ্ধ করার ট্যাবলেট সরবরাহ করা হচ্ছে।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর