মধুমতি নদীর ১২শ’ মিটার তীব্র ভাঙ্গন এলাকায় প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জে মধুমতি নদীর ভাঙ্গনের ঘর-বাড়ী ফসলি জমি হারিয়ে স্বর্বশান্ত হয়েছে অনেক পরিবার। স্থানান্তরিত হয়েছে অনেক পরিবারের।তবে এবার ৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২শ’ মিটার তীব্র ভাঙ্গন এলাকায় প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় আশার আলো দেখছেন অনেক পরিবার। তবে আরো ৩শ’ মিটার এলাকায় প্রতিরক্ষা কাজ করার দাবী স্থানীয়দের।আর পানি উন্নয়ন বোর্ড বলেছে বরাদ্দ পেলে বাকী অংশেও কাজ করা হবে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদাহ এলাকায় মধুমতি নদীর ভাঙ্গনের এই চিত্র বহু পুরনো।কয়েক বছর আগে ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেত বাড়িঘর, ফসলী জমি, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, স্কুল, খেলার মাঠ ও পাকা রাস্তা। স্বর্বশান্ত হয়ে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করতে হতো অনেক পরিবারকে।

immage 1000 02

ফলে ওই এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ১২শ’ মিটার এলাকায় প্রতিরক্ষা কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড।নদীতে তীব্র স্রোত থাকলেও জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলে ভাঙ্গন ঠেকিয়ে নদীর তীর ব্লক দিয়ে বাঁধাই করে প্রতিরক্ষা কাজ শুরু করা হয়।এ প্রতিরক্ষা কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। ফলে ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে বাড়িঘর, ফসলী জমি, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, স্কুল, খেলার মাঠ ও পাকা রাস্তা এবং একটি আশ্রয়ন প্রকল্প সহ বহু স্থাপনা।ফলে এখন নিশ্চিন্তে রাত কাটাতে পাড়ছে নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

মানিকদাহ গ্রামের ইনসান মোল্রা ও চরমানিকদাহ গ্রামের রহমত খান জানান, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে মানিকদাহে মধুমতি নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় দুটি প্যাকেজে ৬শ’ মিটার করে ১২শ’ মিটার প্রতিরক্ষা কাজ শুরু হয় ইতিমধ্যে ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।তবে পুরোপুরি নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে আরো ৩’শ মিটার এলাকায় প্রতিরক্ষা কাজের দাবী স্থানীয়দের।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাজী হায়াৎ মাসুদ জানান, প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করায় এ এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

immage 1000 04

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী এস.এম.রেফাত জামিল জানান, পুরো নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে বরাদ্দ পেলে বাকী ৩শ’ মিটার এলাকায় প্রতিরক্ষা কাজ করা হবে বলে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডর নির্বাহী প্রকৌশলী।

নদী ভাঙ্গন এলাকায় প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করায় মধুমতির হাত থেকে রেহাই পাওয়ার আশায় আলো দেখছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর