Home গোপালগঞ্জ সংবাদ আগামীকাল কোটালীপাড়ায় শুরু হতে যাচ্ছে সুকান্ত মেলা

আগামীকাল কোটালীপাড়ায় শুরু হতে যাচ্ছে সুকান্ত মেলা

০
আগামীকাল কোটালীপাড়ায় শুরু হতে যাচ্ছে সুকান্ত মেলা

কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর ৭৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কবির পৈর্তৃক ভিটায় আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী সুকান্ত মেলার।রং করা, আলপনা আঁকা ও মঞ্চ নির্মাণসহ চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন।

“ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, আকাশের চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি” এমন পংক্তি যাদুকর সাম্যের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য।ছাড়পত্র, দেশলাই-এর মতো অসংখ্য কবিতার স্রষ্টা যার জন্ম ভিটা সেজে উঠছে আজ নতুন করে।

immage 1000 02

আগামীকাল ১৩মে বুধবার বিকালে প্রদীপ প্রজ্জলন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ১৪তম কবি সুকান্ত মেলা।তিন দিনব্যাপি এ মেলার উদ্বোধন করবেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরী এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের।

সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ মেলায় থাকছে দেশ-বিদেশের শিল্পীদের অংশ গ্রহণে লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ কবি সাহিত্যিক ও গুজনদের সম্বর্ধনা। সুকান্ত প্রেমিকের দাবি শুধু একটি মেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কবির চেতনা ও সাহিত্যকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হবে।

immage 1000 03

এ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে কবির পৈতৃক ভিটায় অবস্থিত অডিটরিয়ামে চলছে ধোয়া মুছার কাজ।এসব কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে এখানে কর্মরত শ্রমিকরা, আজকের মধ্যেই এ সকল কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে জানান তারা। প্রতিবছর মেলা উপলক্ষে দূর-দুরান্ত থেকে আগত ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অংশ গ্রহণে বসে গ্রামীণ মেলা।এ বছর বেচা-কেনা ভালো হবে এমনটি বলছেন ব্যবসায়ীরা।

ধারাবাশাল আদর্শ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কবি মিন্টু রায় বলেন, প্রতি বছরই সুকান্ত মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশবরণ্যে কবি, লেখক, সাহিত্যিকদের আড্ডা বসে। আশা করছি, এ বছরও তার ব্যতিক্রম হবে না। এ মেলায় এসে কবি সাহিত্যিকরা তাদের প্রাণ খুলে কথা বলতে পারেন। তাদের কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়। এ জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

immage 1000 04

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাগুফতা হক বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের সহযোগিতায় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন যৌথ ভাবে এ মেলা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা মেলার সকল প্রস্তুতি শেষ করেছি। আমি চাইবো, ভবিষ্যতেও কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের স্মৃতিকে ধরে রাখতে আরও বর্ণাঢ্যভাবে যেন মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের আদর্শকে বর্তমান যুব সমাজের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের আরও নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।

কবির চেতনা, সাম্য আর মানবতার বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এমন আয়োজন বলে মনে করছেন আয়োজক ও সুকান্তপ্রেমীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here