গোপালগঞ্জে বাঙ্গি চাষে লোকসানের মুখে পড়েছে কৃষকরা

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জে বাঙ্গির দাম কম, খরিদ্রার ও পাইকার কম হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছে কৃষকরা। এতে ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে ফসল। ফলে ধার দেনা শোধ আর পরিবার চালানো নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। তবে কৃষি বিভাগ বলেছে, তাদের লোকসান নয় লাভের পরিমান কম হচ্ছে।  

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ‍উপজেলার কলাবাড়ী গ্রামের স্মৃতি অধিকারী। গত বছর বা্ঙ্গি চাষ করে লাভ হওয়ায় এবছরও লাভের আশায় ৬ বিঘা জমিতে বাঙ্গির চাষ করেছিলেন।তবে এবছর দাম না পাওয়ায় তার আশা এখন নিরাশায় ও দুঃশ্চিন্তায় পরিনত হয়েছে।বাঙ্গি বিক্রি করতে না পেয়ে কৃষাণ নিতে না পারায় স্বামী ও বাচ্চাদের নিয়ে জমিতে পানি দিয়ে বাকী ফসল বাঁচানোর চেষ্টা নিরন্তর তার।শুধু স্মৃতি অধিকারী নয় এমন অবস্থা এলাকার শত শত কৃষকের।

কোটালীপাড়া ইউনিয়নের দোয়াতভিটা গ্রামের লিটন হালদার ও রীনা মন্ডল জানান, মৌসুমের শুরতেই ধার দেনা, আর ঋন নিয়ে বাঙ্গি চাষ করেন এ এলাকার কৃষকরা। তবে সময় মত বৃষ্টি না হওয়ায় যাও ফসল উৎপাদন হয়েছে তা বিক্রি করে লাভের আশা দেখেছিলেন তারা। বাঙ্গি পাকার সাথে সাথে ক্ষেত থেকে ফসল তুলে সড়কের উপর জমা করে বিক্রি শুরু করেন। তবে গত বছর ১শ” বাঙ্গি ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করলেও এবছর তা কমে দাড়িয়েছে মাত্র আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকায়। এতে ফলস বিক্রি করতে না পারায় লোকসানের সম্মুখিন হতে হচ্ছে তাদের।এমনকি ক্ষেতেও নষ্ট হচ্ছে ফসল।

Gopalganj Footy Cultivation Photo 01(23.04.2025)

কলাবাড়ি ইউনিয়নের একই গ্রামের সুব্রত হালদার বলেন, এবছর বীজ, সার, জ্বালানী তেল আর শ্রমিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা। আর দাম না পাওয়ায় ফসল বিক্রি করে পাচ্ছেন মাত্র ৬ থেকে ৭ থেকে হাজার টাকা। এতে কৃষকদের বিঘা প্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে। ফলে ধার দেনা আর ঋণ শোধ করাসহ পরিবারের ভরণপোষণ নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটছে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের।

Gopalganj Footy Cultivation Photo 05(23.04.2025)

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল কাদের সরদার বলেন, আগাম চাষে অনেক কৃষক লাভবান হলেও বর্তমানে লোকসান নয় লাভের পরিমান কম হচ্ছে। সেই সাথে কৃষকরা কিভাবে আগাম চাষ করতে পারে সেই পরামর্শ দেয়া হবে বলে জানান, এই কৃষি কর্মকর্তা।

এ বছর জেলায় ৩৬০ হেক্টর জমিতে বাঙ্গির আবাদ হয়েছে। লোকসান কামাতে দ্রুত বাজার ব্যবস্থার উন্নতিসহ বিভিণ্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কৃষি বিভাগ এমনটিই প্রত্যাশা কৃষকদের।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর