স্ত্রী-সন্তানকে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার অভিযোগ

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ঘুমন্ত স্ত্রী ও সন্তানের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নেশাগ্রস্ত স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দগ্ধ হেলেনা আক্তার(৩৬) ও তার ছেলে অন্তরকে(১১) গত বুধবার(৫ জুন) রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার(৪জুন)দিবাগত রাত ১টার দিকে তাদের গায়ে আগুন দেওয়া হয় বলে  হেলেনার ভাই ইমরান হোসেন জানিয়েছেন।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রাজৈর হাসপাতালে এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিতসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিতসক উন্নত চিকিতসার জন্য ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটে প্রেরণ করেন।

immage 1000 01 2

মুকসুদপুর থানার ইন্সপেক্টর(তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হেলেনা ও তার সন্তানকে  ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় মুকসুদপুর থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাদের মধ্যে হেলেনার মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গা দগ্ধ হয়েছে। আর তার ছেলের হাত ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গা দগ্ধ হয়েছে। দুজনই শঙ্কামুক্ত নন বলে চিকিতসক জানিয়েছেন।

হেলেনার ভাই ইমরান জানান, আমার বোন হেলেনাকে মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের ওসমান শেখের সাথে ১৪ বছর আগে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর থেকে সে আমার বোনকে বিভিন্ন সময় মারধর করে আসছে। স্বামী নেশাগ্রস্ত হওয়ায় আমার বোন আমাদের বাড়ি গোহালা ইউনিয়নের মনিরকান্দি গ্রামে থাকে। মঙ্গলবার রাতে ছেলেকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন হেলেনা। রাত ১টার দিকে হেলেনার স্বামী প্রথমে জানালা দিয়ে তাদের ওপর পেট্রোল ছুড়ে মারেন। এরপর আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের চিতকারে সবাই এগিয়ে যান। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর