গোপালগঞ্জে শেষ মুহুর্তের তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে দেবী দূর্গার অবয়ব

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জে শেষ মুহুর্তের তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে দেবী দূর্গার অবয়ব। মন্দিরে মন্দিরে  তাই শেষ সময়ের ব্যস্ততা কারিগর ও আয়োজকদের।আর মাত্র কয়েক দিন পরই ষষ্ঠী পূজার মধ্যে দিয়ে মূল পূঁজা অনুষ্ঠিত হবে। পূঁজা অর্চনার বাইরে বাড়তি কোন আয়োজন এবার থাকছেনা বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। জেলায় এবার এক হাজার ২৯৪টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। সর্বত্রই পূঁজা কমিটির পাশাপাশি সরকারীভাবে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

গত ২ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দূর্গোউৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও আগামী ৯ অক্টোবর ষষ্ঠী পূঁজার মধ্য দিয়ে সারা দেশের নেয় গোপালগঞ্জেও শুরু হয়ে যাবে দূর্গোউৎসবের নানা আয়োজন। আর তাইতো যেসব পূজা মন্ডপে এখনো রংয়ের কাজ শেষ হয়নি সে গুলোতে তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হচ্ছে। রংয়ের শেষ তুলির আঁচড় দিয়ে দেবী দূর্গাকে আকর্ষনীয়া করে তোলা হচ্ছে।ইতোমধ্যে কোন কোন মন্দিরে রংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। সেখানে ভক্তরা কেউ কেউ প্রতিমা দেখতে আসতে শুরু করেছেন।

immage 1000 02

জেলায় এবার এক হাজার ২৯৪ টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ অক্টোবর ষষ্ঠী পুজার মাধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ১৩ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শেষ হবে দেবী দুর্গার আরাধনা। তবে পূঁজা অর্চনার বাইরে বাড়তি কোন আয়োজন এবার থাকছেনা বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

এ বছর এক-একজন প্রতিমা শিল্পীরা ৪ থেকে ৬টি করে প্রতিমা তৈরী করেছেন। আর মুজুরি নিচ্ছেন সর্বনিন্ম ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা পযর্ন্ত। তবে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বোগতির বাজারে চাহিদার তুলায় মজুরি কম পেলেও বাপ দাদার আদি পেশা টিকিয়ে রাখছেন তারা।

সরকার ও পূঁজা উদযাপন পরিষদের নির্দেশনা মেনে পূঁজা আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছেন। তাই অনাড়ম্বরভাবেই এবার দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে এমনটি জানান সনাতন ধর্মের লোকজন।

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দূর্গোৎসব যাতে শান্তিপূর্নভাবে পালন করতে পারে তার জন্য আইন শৃংখরা বানিহীর পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। তাছাড়া প্রতিটি মন্ডপে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ধর্মীয় পঞ্জিকা মতে এ বছর পৃথিবীতে দশভুজার আগমন হবে দোলায় চড়ে আর আনুষ্ঠিকতা শেষে কৈলাশে ফিরবেন ঘোটকে(ঘোড়া) চড়ে।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর