গোপালগঞ্জে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে ১০ লাখ টাকার নিধনের অভিযোগ

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার দূগার্পুর ইউনিয়নের খাটিযাগড় গ্রামে পুকুরে ওষুধ দিয়ে ১০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিবেশি মোর্শেদ শেখ এই ঘটনার সাথে জড়িত বলে দাবি করেছেন পুকুরের মালিক নাসির উদ্দিন ফকির।এই ঘটনায় পুকরে চাষ করা কই মাছ মরে এবং পচে ভেসে উঠছে এবং চারিদিকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

পুকুরে চাষ করা প্রায় ২ লাখ প্রাপ্ত বয়স্ক কই মাছের ৮০ শতাংশ মরে গেছে বলে দাবি পুকুর মালিকের।

নাসির উদ্দিন ফকিরের ছেলে সাজ্জাদ ফকির জানান, বুধবার(০২ সেপ্টেম্বর)বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মোর্শেদ শেখ পলিথিন থেকে বিষাক্ত ট্যাবলেট পুকুরে ছুড়ে মারে। এসময় সে মোর্শেদকে ধরতে এগিয়ে গেলে মোর্শেদ তাকে ঘুষি মেরে পালিয়ে যায় বলে দাবি করেন।এই ঘটনায় স্থানীয়রা এগিয়ে আসার পর সাজ্জাদ ফকির তাদের নিয়ে অভিযুক্তের হাত থেকে ফেলে দেয়া পলিথিনের প্যাকেট পরীক্ষা করে বিষাক্ত পদার্থের আলামত পায় বলে জানান।

প্রতিবেশী মোঃ সুমন ফকির বলেন, তিনি অভিযুক্ত মোর্শেদের সঙ্গে সাজ্জাদ ফকিরের বাক বিতন্ডা শুনে এগিয়ে যান এবং মোর্শেদের ফেলে দেয়া পলিথিন নাকের কাছে নিয়ে বিষাক্ত পদার্থ ছিলো বলে ধারনো করেন। ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুকুরে অজস্র মাছ মরে ভেসে উঠেছে বলে জানান তিনি।

পুকুরের মালিক নাসির উদ্দিন ফকির বলেন, তিনি ৩ মাস আগে তার ৮১ শতাংশের এই পুকুরে ২ লাখ কই মাছের পোন ছাড়েন এরপর তিনি এই মাছের খাবার ও পরিচর্যার জন্য অনেক টাকা খরচ করেছেন। সব মিলিয়ে তার ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এই মাছ মরে যাওয়ায় তার ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এই ঘটনা মোর্শেদ শেখকে দোষী দাবি করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

এদিকে, যার দিকে অভিযোগের তীর সেই মোর্শেদ শেখ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইন চার্জ আমিনুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পত্র পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠানো হয়েছে।তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি মন্তব্য

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর