গোপালগঞ্জে পাটের দামে খুশি কৃষক

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -
মোহনা রিপোর্ট।।
দেশের মধ্যে উন্নত পাট উৎপাদনে বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা সেরা। এই অঞ্চলের পাটের সুনাম দেশ ব্যাপী। বৃহত্তর জেলা ফরিদপুরের অর্ন্তভুক্ত ছিল এক সময় গোপালগঞ্জ জেলা। তাই সেরা পাট বা উন্নত পাট কিন্তু গোপালগঞ্জেও  উৎপাদিত হয়ে থাকে। জেলায় ধান ও পাটই হলো প্রধান ফসল। এ বছর জেলায় ৫ লাখ মেট্রিক টন পাট উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে।
মুকসুদপুরের কৃষক আব্বাস আলি, সদরের কৃষক আকবর হোসেন পাট চাষাবাদ করে বেশ খুশি। পাটের এবছর যে দাম তারা পাচ্ছেন বিগত বছরের থেকে অনেক বেশী। তারা জানান, এবছর তারা প্রকার ভেদে ২হাজার থেকে ২হাজার ৮শ’ টাকা মন দরে পাট বিক্রি করেছেন। তাদের উৎপাদন খরচ উঠে লাভের মুখ দেখছেন তারা। আগামীতেও তারা পাটের আবাদ করবেন বলে জানান। এই কৃষকেরা জানান, পাটের দাম কম পাওয়ায় তারা এর আবাদ প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু, এ বছর যারা আবাদ করেননি তারা হা পিত্তেস করছেন। আগামীতেও এই জেলার কৃষকেরা পাটের ভাল দাম পাবেন এমনটি আশা প্রকাশ করেছেন। যারা এবছর পাটের আবাদ করেননি তারা আগামীতে পাটের আবােেদর দিকে ঝুকবেন বলে মনে করছেন অনেক কৃষক।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিস সূত্রে জানাগেছে. এবছর জেলায় ২৬ হাজার হেক্টর জমিতে পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিল। চাষাবাদ হয় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে। আর পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ৫ লাখ মেট্রিক টন।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ফড়িয়া পাট ব্যবসায়ী শান্ত সিকদার জানান, এবছর পাটের বেশ চড়া মূল্য। তিনি জানান, পাট প্রকার ভেদে ২০০০ থেকে ২৬৫০টাকা দরে তিনি পাট কিনছেন। কয়েক মাস পরে তিনি এসব পাট মিলারদের কাছে আরো বেশী দামে বিক্রি করবেন। তিনি জানান, জেলার মধ্যে মুকসুদপুর উপজেলার পাট তুলনা মূলক উন্নত হওয়ায় সেখানে ২৮০০ টাকা পর্যন্ত পাটের দাম উঠেছে। সব মিলিয়ে এবছর কিন্তু কৃষকেরা পাটের দাম পাচ্ছেন ভালো। এ দামে তারা বেশ খুশি। এতে তারা আগামীতে আরো বেশী করে পাট আবাদের দিকে ঝুকবে বলে তিনি জানান।
গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. অরবিন্দু কুমার রায় জানান, এ জেলার পাট উন্নত মানের। কৃষকেরা এবছর পাটের দামও পাচ্ছেন ভালো। আর এতো দাম পাওয়ায় তারা আগামীতে পাট উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ হবেন।
- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর