গোপালগঞ্জে এবার কুলের বাম্পার ফলন

In Gopalganj this time bumper crop of cool

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ি গ্রামের দুই ভাই তাদের ৫বিঘা জমিতে কুলের চাষ করে এরাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। খরচ উঠিয়ে তারা এবছর এ জমি থেকে অন্ততঃ ৫লাখ টাকা লাভের মুখ দেখছেন।আবহাওয়া অনুকূল থাকায় কুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। সেই সাথে ভালো দাম পাওয়ায় লাভবান হয়েছেন তারা।

immage 1000 02 20

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ি গ্রামের শিক্ষিত যুবক প্রবীর নজন ও অপূর্ব নজন। দুই ভাই মিলে নিজের পৈত্রিক জমিতে বিভিন্ন ফলের চাষ করলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে তা নষ্ট হয়ে যায়।

কিন্তু এতে ভেঙ্গে না পড়ে তারা ঠিক করেন কুলের আবাদ করবেন। ইউটিউব দেখে আর চুয়াডাঙ্গা থেকে বিভিন্ন কুলের চারা এনে নিজেদের ৫ বিঘা জমিতে রোপন করেন। স্বল্প মেয়াদে কুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। গাছে গাছে ঝুলে রয়েছে বিভিন্ন জাতের কুল।

immage 1000 03 4

তাদের ক্ষেতে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ান বল, ভারত সুন্দরী, কাশ্মিরী আপেল, বল সুন্দরী, থাই আপেল, সীড লেসসহ বিভিন্ন জাতের কুলের গাছ। কুলের আবাদে খরচ হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ টাকা। ইতিমধ্যে কুল বিক্রি করেছেন ৪ লাখ টাকার, আর ক্ষেতে যে ফল রয়েছে তা বিক্রি করে উঠবে আরো ৪ লাখ টাকা। খরচ উঠিয়ে এ মৌসুমে প্রায় ৫ লাখ টাকা লাভ করবেন বলে তারা জানান।

immage 1000 04 2

কুল চাষী প্রবীর নজন ও অপূর্ব নজন বলেন, আগাম প্রতি কেজি কুল ১’শ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি করছেন তারা। বর্তমানে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় প্রতি কেজি কুল বিক্রি হলেও লাভবান হচ্ছেন তারা। ইতিমধ্যে প্রায় ২হাজার চারা বিক্রি করছেন। বিভিন্ন জাতের কুলের আবাদ করে বেকার যুবকরা তাদের বেকারত্ব ঘোঁচাতে পারেন বলে মনে করেন এই ফল চাষী।

immage 1000 05 1

তারা আরো জানান, নিজেরাই নিজেদের ক্ষেত দেখাশোনা করার পাশাপশি ফল বাছাই করে বিক্রির জন্য উপযোগী করে তোলেন। শুধু স্থানীয়রাই নয়, এ ক্ষেত দেখতে দূর দুরান্ত থেকে অনেকেই আসছেন। আবার অনেকেই কুল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এসব ফল রাসয়ানিক মুক্ত হওয়ায় স্থানীয় বাজারে রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। ফলে পাইকাররা ক্ষেত বা বাড়ীতে এসেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

immage 1000 08

কুল চাষে বেশী লাভ হওয়ার ফলে অনেকেই কুল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে। এসব চাষীদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি পরামর্শও দেযা হয় বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-এর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আঃ কাদের সরদার।

immage 1000 09

এ জেলায় চলতি মৌসুমে এক হাজার ৬৮০ হেক্টর জমিতে কুলের আবাদ হয়েছে। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে কুলের আবাদ করলে চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবার পাশাপশি পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর