Home প্রবাসে বাংলা আবির্ভাব ও বিলুপ্তির অন্তরালে

আবির্ভাব ও বিলুপ্তির অন্তরালে

০
আবির্ভাব ও বিলুপ্তির অন্তরালে

কোনো কিছু হারিয়ে যাওয়ার আগে তার কোনো শব্দ হয় না। একসময় চিঠি কমে যায়, তারপর একদিন চিঠি লেখা বন্ধ হয়ে যায়। পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসার সময় একটু একটু করে কমে যায়। কোনো পুরোনো শব্দ এক প্রজন্মের মুখে স্বাভাবিক থাকলেও পরের প্রজন্মের কাছে তা অচেনা হয়ে যায়। কোনো পারিবারিক রীতি একবার বন্ধ হয়ে গেলে অনেক সময় আর ফিরে আসে না। বিলুপ্তি তাই সব সময় দৃশ্যমান কোনো ঘটনা নয়; অনেক সময় তা আসে অভ্যাসের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে, নীরবে।

আমি যে সময়ের কথা বলছি, তখন আজকের বাংলাদেশ ছিল পূর্ব পাকিস্তান। আমার শৈশব ও কৈশোর সেই সময়ের মধ্যেই কেটেছে। এরপর ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে জাপানে এসে জীবনের সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। প্রায় চার দশকের প্রবাসজীবনে শুধু দুই দেশের জীবনযাত্রার পার্থক্য দেখিনি; দেখেছি সময়ের সঙ্গে মানুষের জীবন, যোগাযোগ, সম্পর্ক এবং চিন্তার ধরন কীভাবে বদলে যায়। একসময় দূরের কারও খবর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতো। একটি চিঠি আসতে কয়েক দিন, কখনো আরও বেশি সময় লাগত। এখন পৃথিবীর অন্য প্রান্তের মানুষকে কয়েক সেকেন্ডেই দেখা যায়, কথা বলা যায়, বার্তা পাঠানো যায়। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অভাবনীয়ভাবে সহজ করে দিয়েছে। কিন্তু এই দ্রুততার সঙ্গে জীবনের কিছু ধীর, স্থির ও মানবিক অভ্যাসও ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

এখানে প্রযুক্তিকে দায়ী করার কোনো যুক্তি নেই। প্রযুক্তি মানুষেরই সৃষ্টি এবং মানুষের প্রয়োজনেই তার বিকাশ। বাংলাদেশের বর্তমান জীবনেও তার প্রভাব স্পষ্ট। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪–২৫ সালের ICT Access and Use by Households and Individuals Survey অনুযায়ী, পাঁচ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী মানুষের ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে; একই জরিপে শহর ও গ্রামের ব্যবহারের মধ্যে ৩২ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানও দেখা গেছে। এই পরিসংখ্যান আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ডিজিটাল যোগাযোগ এখন শুধু যোগাযোগের একটি মাধ্যম নয়; এটি মানুষের জীবনযাপন ও সুযোগের ক্ষেত্রেও নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে।

বিষয়টি তাই প্রযুক্তি গ্রহণ করব কি না, তা নয়; নতুনকে গ্রহণ করার সময় পুরোনোর কোন মূল্যবান অংশগুলো আমাদের সঙ্গে রাখা প্রয়োজন, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন যোগাযোগের আবির্ভাব
চিঠির কথা মনে করলে শুধু একটি কাগজের কথা মনে পড়ে না; মনে পড়ে অপেক্ষা, হাতের লেখা, নিজের কথা গুছিয়ে বলার সময় এবং প্রাপকের কাছে পৌঁছানোর এক ধরনের ব্যক্তিগত অনুভূতি। আজ সেই জায়গা অনেকটাই নিয়েছে মোবাইল ফোন, ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভয়েস ও ভিডিও কল। যোগাযোগের দূরত্ব কমেছে, সময় কমেছে, অনেক ক্ষেত্রে খরচও কমেছে। এই পরিবর্তন নিঃসন্দেহে মানুষের জীবনে বড় সুবিধা এনে দিয়েছে।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এখনও সাধারণ চিঠিপত্রের সেবা চালু রেখেছে। অর্থাৎ চিঠি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি; তবে মানুষের দৈনন্দিন ব্যক্তিগত যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম আর চিঠি নয়।

পরিবর্তনের বিষয়টি শুধু কোনো একটি যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার কমে যাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একটি মাধ্যম বদলে যাওয়ায় সমস্যা নেই; সমস্যা তখনই, যখন তার সঙ্গে কোনো গুরুত্বপূর্ণ মূল্যও হারিয়ে যায়। দ্রুত বার্তা পাঠানো সুবিধাজনক, কিন্তু দ্রুত যোগাযোগ সব সময় গভীর বোঝাপড়া তৈরি করে না। একটি ছোট বার্তা হয়তো খবর পৌঁছে দেয়; কিন্তু মন দিয়ে কারও কথা শোনা, মুখোমুখি বসে কথা বলা কিংবা পরিবারের কাউকে সময় দেওয়া—এসবের প্রয়োজন প্রযুক্তি শেষ করে দেয়নি।

যা হারায়, তার সবকিছুর হিসাব থাকে না
সমাজে এমন অনেক কিছু আছে, যার কোনো বাজারমূল্য নেই; তাই সেগুলো হারিয়ে যাওয়ার হিসাবও কোথাও থাকে না। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের মুখে শোনা গ্রামের গল্প, পরিবারের পুরোনো ইতিহাস, জীবনের কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা, পূর্বপুরুষদের সংগ্রাম কিংবা কোনো ভুল থেকে পাওয়া শিক্ষা—এসব লিখিত নথিতে না থাকলে অনেক সময় একজন মানুষের জীবনাবসানের সঙ্গে সঙ্গেই হারিয়ে যায়।

একই ঘরে বসে পরিবারের সবাই নিজ নিজ পর্দায় ব্যস্ত—এ দৃশ্য এখন আর অস্বাভাবিক নয়। এর জন্য শুধু প্রযুক্তিকে দায়ী করলে বিষয়টি খুব সরল করে দেখা হবে। জীবনের ব্যস্ততা, কাজের চাপ, শহুরে জীবন এবং বদলে যাওয়া পারিবারিক কাঠামোও এর সঙ্গে জড়িত। তবে এর একটি নীরব প্রভাব রয়েছে: প্রজন্মের মধ্যে সরাসরি কথোপকথনের সময় কমলে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছানোর সুযোগও কমে যায়।

UNESCO-ও বলেছে, সাংস্কৃতিক জ্ঞান ও দক্ষতা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে আন্তঃপ্রজন্ম যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের কারণে বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছ থেকে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব বাড়লে ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান ও দক্ষতার ধারাবাহিকতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই পরিবারের একজন প্রবীণ মানুষ চলে যাওয়ার আগে তাঁর জীবনের গল্প শোনা, প্রয়োজনীয় স্মৃতি লিখে রাখা এবং সন্তানদের সঙ্গে তা ভাগ করে নেওয়া নিছক আবেগের বিষয় নয়; এটি পারিবারিক ও সামাজিক স্মৃতি সংরক্ষণেরও একটি উপায়।

তথ্যের বিস্তার, জ্ঞানের নতুন চ্যালেঞ্জ
আমাদের প্রজন্ম এমন একটি সময়ে বড় হয়েছে, যখন তথ্য সহজে পাওয়া যেত না। বই, পত্রিকা, লাইব্রেরি কিংবা অভিজ্ঞ মানুষের কাছে গিয়ে জানতে হতো। কোনো একটি বিষয়ে জানার জন্য সময় দিতে হতো, খুঁজতে হতো, পড়তে হতো। এখন একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েক সেকেন্ডেই পাওয়া যায়। সময়ের এই পরিবর্তন সত্যিই অসাধারণ, আর এর সুফল অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই।

কিন্তু তথ্যের প্রাচুর্য জ্ঞানের নিশ্চয়তা নয়। একই বিষয়ে অসংখ্য তথ্য পাওয়া যায়, যার সবকটি সমান নির্ভরযোগ্য বা প্রয়োজনীয় নয়। কোন তথ্য সত্য, কোনটি প্রাসঙ্গিক, কোনটি ব্যবহারযোগ্য এবং কোনটি বিভ্রান্তিকর—এই পার্থক্য করার ক্ষমতাই এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আমাদের সময়ে তথ্যের অভাব ছিল; বর্তমান প্রজন্মের বড় চ্যালেঞ্জ তথ্যের বাছাই। তাই পড়ার অভ্যাস, চিন্তা করার সময়, ধৈর্য এবং বিচারবোধের প্রয়োজন কমেনি; বরং বেড়েছে। প্রযুক্তি তথ্য দিতে পারে, সময় বাঁচাতে পারে; কিন্তু কোন তথ্য কীভাবে বুঝতে হবে এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নিতে হয় মানুষকেই।

নতুনের সঙ্গে পুরোনোর সম্পর্ক
পুরোনো মানেই ভালো এবং নতুন মানেই খারাপ—এমন ধারণা যেমন ঠিক নয়, তেমনি নতুন এসেছে বলেই পুরোনো সবকিছু অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেছে, এটিও ঠিক নয়।

আমি যে সময়ে বড় হয়েছি, সেই সময়ের জীবনেও অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। যোগাযোগব্যবস্থা আজকের মতো সহজ ছিল না, চিকিৎসা ও প্রযুক্তির সুযোগও ছিল সীমিত, তথ্য পাওয়ার পথ ছিল সংকীর্ণ। তাই অতীতকে সম্পূর্ণ আদর্শ হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই। আবার আধুনিক জীবনকে গ্রহণ করার অর্থও এই নয় যে অতীতের প্রতিটি অভ্যাসকে অপ্রয়োজনীয় ঘোষণা করতে হবে।

চিঠি হয়তো আগের জায়গায় ফিরবে না। পরিবারের সবাই প্রতিদিন দীর্ঘ সময় একসঙ্গে বসবে—এটিও বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু মন দিয়ে কথা বলা, অনুভূতি প্রকাশ করা, পরিবারের ইতিহাস জানা, বয়োজ্যেষ্ঠদের সময় দেওয়া কিংবা সন্তানদের সঙ্গে জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া—এসবের প্রয়োজন তো শেষ হয়ে যায়নি।

অতীতকে ফিরিয়ে আনা নয়; বরং অতীতের যে বিষয়গুলো আজও প্রয়োজনীয়, সেগুলোকে ভবিষ্যতের জীবনেও ধরে রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।

ভাষা, স্মৃতি ও প্রজন্মের সেতু
একটি ভাষা হারিয়ে গেলে শুধু কিছু শব্দ হারায় না; তার সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে একটি জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা, স্মৃতি এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করে আনা জ্ঞানের একটি অংশ। UNESCO-এর ভাষা-সংক্রান্ত গবেষণাতেও বলা হয়েছে, কোনো ভাষা হারিয়ে গেলে তার সঙ্গে সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক ও পরিবেশগত জ্ঞানেরও বড় একটি অংশ হারিয়ে যেতে পারে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এর ছোট ছোট উদাহরণ রয়েছে। কোনো স্থানীয় শব্দের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়, কোনো লোকজ জ্ঞান আর শেখানো হয় না, কোনো পারিবারিক রীতি পরবর্তী প্রজন্মের কাছে অজানা থেকে যায়—এসব সাধারণত সংবাদ হয় না, পরিসংখ্যানেও সব সময় ধরা পড়ে না। অথচ দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে এসব পরিবর্তন একটি সমাজের স্মৃতি, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

অবশ্যই সব পুরোনো শব্দ, রীতি বা অভ্যাসকে জোর করে ধরে রাখার প্রয়োজন নেই। ভাষা বদলাবে, সংস্কৃতি বদলাবে, জীবনযাত্রাও বদলাবে। কিন্তু সময়ের স্বাভাবিক পরিবর্তনের সঙ্গে অবহেলায় কিছু হারিয়ে যাওয়াকে এক করে দেখা যায় না। কোনটি সময়ের সঙ্গে বদলে যাবে আর কোনটির মূল্য ভবিষ্যতের জন্যও থাকবে—এই পার্থক্যটি বোঝার দায়িত্ব আমাদের।

পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কী পৌঁছাবে
পরবর্তী প্রজন্মের হাতে আমরা কী তুলে দিচ্ছি, বিষয়টি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ। শুধু নতুন প্রযুক্তি, নতুন দক্ষতা এবং নতুন তথ্য দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তাদের জানা দরকার পরিবারের ইতিহাস, নিজেদের ভাষার মূল্য, বয়োজ্যেষ্ঠদের অভিজ্ঞতা এবং জীবনের বাস্তব শিক্ষা।

আবার এর দায়িত্ব শুধু তরুণদের নয়। বয়োজ্যেষ্ঠদেরও নিজেদের অভিজ্ঞতা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। শুধু সাফল্যের গল্প নয়, ভুলের কথাও বলতে হবে; শুধু অর্জনের কথা নয়, ব্যর্থতা থেকে কী শেখা যায়, সেটিও বলতে হবে। কারণ একটি প্রজন্মের অভিজ্ঞতা যদি পরের প্রজন্মের কাছে না পৌঁছায়, তাহলে অনেক শিক্ষা প্রত্যেক প্রজন্মকেই নতুন করে অর্জন করতে হয়।

প্রযুক্তি পরবর্তী প্রজন্মকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করবে; আর অভিজ্ঞতা তাকে নিজের পরিবার, সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করবে। নতুন জ্ঞানের সঙ্গে পুরোনো অভিজ্ঞতা থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথই দেখবে না, পেছনে ফেলে আসা পথটিও বুঝতে পারবে।

বিলুপ্তির আগে চিনে নেওয়া
প্রায় চার দশকের প্রবাসজীবনে আমি দেখেছি, নতুন কিছু আসার সঙ্গে সঙ্গে জীবনের অনেক পুরোনো অভ্যাস স্বাভাবিকভাবেই সরে গেছে। কিছু পরিবর্তন প্রয়োজনীয় ছিল, কিছু ছিল সময়ের দাবি। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া সবকিছুকে একইভাবে দেখারও সুযোগ নেই।

কিছু পরিবর্তন সময়ের স্বাভাবিক ধারায় আসে। কিছু হারিয়ে গেলেও তার বিশেষ ক্ষতি হয় না। আবার কিছু বিষয় এমন, যার প্রয়োজন আমরা বুঝতে পারি তখনই, যখন তা আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না। তাই পরিবর্তনের সময় সবচেয়ে জরুরি হলো—কী বদলাবে, কী বদলানো প্রয়োজন এবং কী ধরে রাখা দরকার, সেই বোধ তৈরি করা।

আসুন, নতুনকে গ্রহণ করি, কিন্তু প্রয়োজনীয় পুরোনোকে অবহেলায় হারিয়ে যেতে না দিই। পরিবারের প্রবীণদের কথা শুনি, নিজেদের স্মৃতি লিখে রাখি, সন্তানদের সঙ্গে পরিবারের ইতিহাস ভাগ করি, ভাষা ও সংস্কৃতির মূল্য বুঝি এবং পরবর্তী প্রজন্মের হাতে শুধু প্রযুক্তি নয়, জীবনের প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতাটুকুও তুলে দিই।

কারণ একটি সমাজ শুধু নতুন কিছু গ্রহণ করলেই আধুনিক হয়ে ওঠে না। পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যাওয়ার সময় সে তার মূল্যবান স্মৃতি, মানবিকতা ও অভিজ্ঞতাকে কতটা সঙ্গে রাখতে পারে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

আবির্ভাব চলবে, পরিবর্তন চলবে, সময়ও চলবে। আমাদের দায়িত্ব শুধু সেই চলমান সময়ের দর্শক হওয়া নয়—তার অন্তরালে কী হারিয়ে যাচ্ছে, তা চিনে নেওয়া।

লেখক, সংগ্রাহক ও গবেষকঃ হক মোঃ ইমদাদুল, জাপান
coinbangla@gmail.com
২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং, মঙ্গলবার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here