মেসি-রোনালদো-নেইমারদের ক্লাব ফুটবলে যেমন ছিল ২০২৩

০২৩ সালে অবশ্য এই তিন তারকার স্থান পরিবর্তন হয়। তারা কেউই আর ইউরোপে থাকেননি। রোনালদো অবশ্য আগেই ইউরোপের অধ্যায়ের ইতি টেনে চলে যান সৌদির ক্লাব আল নাসরে।

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

নতুনের আগমনে পুরাতনকে ভুলে যেতে হয় এটাইতো জগতের নিয়ম। পুরাতন থেকে শিক্ষা হয় বর্তমান ও ভবিষ্যতের। ফুটবলকে শিল্পে পরিণত করা মেসি-রোনালদো-নেইমারদেরও রয়েছে এক বর্ণিল অধ্যায়। ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে এক যুগেরও বেশি সময় চলেছে এই ত্রয়ীর শাসন। তবে তাদেরও আছে ভালো-মন্দ আর হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া নানা ঘটনা। আজ দেখে নেওয়া যাক ২০২৩ সালের ক্লাব ফুটবলে আন্তর্জাতিক কেমন গেল এই ত্রয়ীর সময়?

ইউরোপিয়ান ফুটবলে মেসি, রোনালদো আর নেইমার যেন সমার্থক নাম হয়ে গেছেন। ঘুরেফিরে তাদের দিকেই বিশ্ব ফুটবলের চোখ থাকে। সেরার লড়াই, রেকর্ড ভাঙা কিংবা শিরোপা জেতার দৌঁড়ে তারা ছিলেন প্রথম আর দ্বিতীয়। ২০২৩ সালে অবশ্য এই তিন তারকার স্থান পরিবর্তন হয়। তারা কেউই আর ইউরোপে থাকেননি। রোনালদো অবশ্য আগেই ইউরোপের অধ্যায়ের ইতি টেনে চলে যান সৌদির ক্লাব আল নাসরে।

এরপর নেইমারও তার দেখানো পথে হাঁটেন। মেসিও একই পথে হাঁটছেন বলে শোনা গেলেও শেষ মূহুর্তে তিনি চলে যান আমেরিকার মেজর সকার লিগের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। ইউরোপে এই ত্রয়ীর অনুপস্থিতিতে এখন নতুনের কেতন উড়ছে। সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে চাইছেন হালান্ড, এমবাপ্পেরা।

নেইমার সৌদিতে যাবেন, ভাবতেও পারেননি তার সমর্থকরা। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে চলে আলোচনা। এই বয়সে তার থাকার কথা ইউরোপের সিংহাসনে। সেই নেইমার কিনা মেসি, রোনালদোর পর চলে গেলেন ইউরোপ ছেড়ে। যদিও পরে সেই আলোচনা থামিয়ে আল হিলালের হয়ে মাঠে নামেন নেইমার। নতুন গুঞ্জন ওঠে সৌদিই শেষ নয়, সেখান থেকে আবার ইউরোপে ফিরবেন। এর মধ্যে চোটে পড়ে আবার আলোচনার বাইরে চলে যান এই ব্রাজিলিয়ান। এদিকে দলবদলের বাজারে নেইমারের পাশাপাশি ঝড় তুলেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদে আসা বেলিংহাম। গত গ্রীষ্মে সর্বোচ্চ রেকর্ড ১০৩ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে তাঁকে দলে টানে লস ব্লাঙ্কোসরা।

লিওনেল মেসি ইতি টানার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। তবে সেটা ইউরোপ অধ্যায়ের। যখন কাতার বিশ্বকাপের ট্রফিটা হাতে নেন, তখনই বোধ হয় সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেন। এরপরের গল্পতো সবারই জানা। সৌদির মোটা অঙ্কের প্রস্তাব, আবার বার্সার টালবাহানার মধ্যে মায়ামিতেই ঘর বাঁধেন। এর মধ্যে ফুটবলের দুই মর্যাদার পুরস্কার ব্যালন ডি’অর ও ফিফা দ্য বেস্ট ওঠে এই আর্জেন্টাইনের হাতে। যে পুরস্কার আর জেতা হবে না তাঁর।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর