গোপালগঞ্জে ভুয়া ডাক্তারের দৌরাত্ব

Fake doctor in Gopalganj

নির্বাচিত সংবাদ

দৈনিক মোহনা অনলাইন :
দৈনিক মোহনা অনলাইন :https://www.dainikmohona.com/
গোপালগঞ্জের সর্বশেষ খবর, স্থানীয় সংবাদ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং জনজীবনের নানা আপডেট জানতে দৈনিক মোহনা-র সঙ্গে থাকুন।এ’ছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, গ্রাম ও শহরের সংবাদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উন্নয়ন, অপরাধ, রাজনীতি, জনদুর্ভোগ এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খবর জানতে আমাদের ভিডিও চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
- Advertisement -

গোপালগঞ্জে ভুয়া ডাক্তারের দৌরাত্ব বেড়েই চলেছে। এসব ভুয়া ডাক্তাররা জেলা জুড়ে বিভিন্ন ক্লিণিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। নামি-দামি চটকদার ডিগ্রী লাগিয়ে এসব ডাক্তাররা সাধারন রুগীদের সাথে প্রতারণা করছেন। গত দুই মাসে এমন তিন ভুয়া ডাক্তারকে আটক করে সাজা দিয়ে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

আজ শুক্রবার দুপুরে জেলা শহরের কলেজ মসজিদ রোডের সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে মো. গোলাম মাসুদ মৃধা নামে এক ভুয়া ডাক্তার আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত।পরে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও সহকারি কমিশনার(ভূমি)মো. মামুন খান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ওই ভুয়া ডাক্তারকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।

immage 1000 04 3

ওই ভুয়া চিকিৎসক ইন্টিগ্রেটেড, চর্ম, যৌন, কুষ্ঠ, অ্যাজমা ও এলার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রতি শুক্রবার রুগী দেখতেন।তিনি খুলনা থেকে আসতেন এবং রুগীদের কাছ থেকে ৬শ” টাকা ভিজিট নিতেন। ওই ডাক্তারের পিএইচডিসহ এহেন ডিগ্রী আছে, যা তার নাই। এছাড়া তিনি রুগীদের অযথা স্টেট ও ওষুধ লিখতেন। এতে সাধারন রুগীরা প্রতারিত হতেন।

এর আগে,গত ২৭ সেপ্টেম্বর শহরের চৌরঙ্গীস্থ দেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যামান আদালত পরিচালনা করে মো. সামসুদ্দিন নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে আটক করে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালত।

এছাড়া, গত ৮ সেপ্টেম্বর শহরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল রোডের সেতু ক্লিণিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যামান আদালত পরিচালনা করে মাহমুদুল আলম বাবুল নামে এক ভুয়া চিকিৎসক আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।

এই তিনটি অভিযানই পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন খান।

ওই বিচারক জানান, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা প্রাকটিকস করার মতো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল ২০১০ আইন এর পরিপন্থিভাবে হওয়ায় ওই তিন ব্যক্তিকে সাজা প্রদান করা হয়েছে। তারা নামের সাথে বিভিন্ন ডিগ্রী লাগিয়ে সাধারন রুগীদের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন।এতে সাধারন রুগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। আগামীতে ভুয়া ডাক্তার ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

- Advertisement -

আরও খবর plus!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

সর্বশেষ খবর